সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দে টেন্ডার করতে চলেছে পুরসভা। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে চলায় খুশির হাওয়া পুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে। জলপ্রকল্পের পরিকল্পনা করে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে আবেদন করার পর মিলেছিল সবুজ সংকেত। নতুন বছরে সেই প্রকল্পের মাধ্যমে জলকষ্ট দূর করতে চায় পুরসভা।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, নগরোন্নয়ন দপ্তরের আর্থিক সহায়তায় শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডেই পানীয় জল পরিষেবা দেওয়া হবে। ২০১৫ সালে প্রথম বার বিরোধীশূন্য করে গঙ্গারামপুর পুরসভা দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। শহরে জল সঙ্কট শুরু হওয়ায় বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহের প্রকল্পের জন্য ২০১৮ সালে প্রায় ৪৬ কোটি টাকার ডিপিআর পুরদপ্তরে জমা করে পুরসভা। তবে, টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ২০২০ সালে পুরসভার প্রশাসক বোর্ড নতুন করে ৫০ কোটি টাকার ডিপিআর পাঠায় দপ্তরে। ২০২৩ সালে আবার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্রের উদ্যোগে শহরের জল প্রকল্পের জন্য ১০০ কোটি টাকার ডিপিআর জমা দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের শেষে অবশেষে পুরদপ্তরের সবুজ সঙ্কেত মিলেছে।
শহরবাসীর অভিযোগ, গ্রীষ্মকাল শুরু হতেই গঙ্গারামপুর শহরের ১৬ নং ওয়ার্ড সুকান্তপল্লি, ১৩ নং ভোদনপাড়া, ১০ নং বুরুজপাড়া, ৪ নং লক্ষ্মীতলা ও ১৭ নং ওয়ার্ডে জলের সমস্যা দেখা দেয়। ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নামতে থাকলে ওয়ার্ডগুলিতে পানীয় জলের হাহাকার পড়ে। এদিকে গঙ্গারামপুরে ভূগর্ভস্থ পানীয় জল নিয়ে সচেতন করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কারণ দপ্তরের পরীক্ষায় গঙ্গারামপুর শহরজুড়ে পানীয় জলে ফ্লুরাইডের মাত্রা বেশি থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। ফলে সমস্যা দিনদিন বাড়তেই থাকছিল বাসিন্দাদের। তাঁদের দীর্ঘদিনের জলকষ্ট মেটাতে এবার কোমর বেঁধে নামছে পুরসভা।
শহরবাসী সর্বজিৎ গুহ বলেন, বাম আমলে শহরবাসীর দাবি ছিল বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পরিষেবা। কিন্তু সেই আমলে হয়নি। ২০১৫ সালে পুরবোর্ড দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। তখনও বোর্ড বাড়ি বাড়ি জল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু কোনও প্রকল্পই হয়নি। পুরসভা নতুন বছরের আগেই দুর্দান্ত খবর শুনিয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যা মিটবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, ২০২৩ সালে দায়িত্ব নিয়েই শহরবাসীর প্রত্যাশা পূরণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলাম। যেভাবেই হোক শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল প্রকল্পের কাজ করব। দপ্তর আমাদের ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
শহরবাসীর অভিযোগ, গ্রীষ্মকাল শুরু হতেই গঙ্গারামপুর শহরের ১৬ নং ওয়ার্ড সুকান্তপল্লি, ১৩ নং ভোদনপাড়া, ১০ নং বুরুজপাড়া, ৪ নং লক্ষ্মীতলা ও ১৭ নং ওয়ার্ডে জলের সমস্যা দেখা দেয়। ভূগর্ভস্থ জলস্তর নীচে নামতে থাকলে ওয়ার্ডগুলিতে পানীয় জলের হাহাকার পড়ে। এদিকে গঙ্গারামপুরে ভূগর্ভস্থ পানীয় জল নিয়ে সচেতন করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কারণ দপ্তরের পরীক্ষায় গঙ্গারামপুর শহরজুড়ে পানীয় জলে ফ্লুরাইডের মাত্রা বেশি থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। ফলে সমস্যা দিনদিন বাড়তেই থাকছিল বাসিন্দাদের। তাঁদের দীর্ঘদিনের জলকষ্ট মেটাতে এবার কোমর বেঁধে নামছে পুরসভা।
শহরবাসী সর্বজিৎ গুহ বলেন, বাম আমলে শহরবাসীর দাবি ছিল বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পরিষেবা। কিন্তু সেই আমলে হয়নি। ২০১৫ সালে পুরবোর্ড দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। তখনও বোর্ড বাড়ি বাড়ি জল দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু কোনও প্রকল্পই হয়নি। পুরসভা নতুন বছরের আগেই দুর্দান্ত খবর শুনিয়েছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যা মিটবে।
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র বলেন, ২০২৩ সালে দায়িত্ব নিয়েই শহরবাসীর প্রত্যাশা পূরণের জন্য উঠেপড়ে লেগেছিলাম। যেভাবেই হোক শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল প্রকল্পের কাজ করব। দপ্তর আমাদের ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করে প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।



