Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বালুরঘাটের আত্রেয়ীতে তলিয়ে যাওয়া ছাত্রের দেহ বাংলাদেশ থেকে উদ্ধার

বালুরঘাটের আত্রেয়ীতে তলিয়ে যাওয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের দেহ ভেসে উঠল বাংলাদেশে। বালুরঘাট শহরের রঘুনাথ মন্দিরের ঘাটে গত রবিবার বিকেলে ওই ছাত্র ডুবে যায়।

বালুরঘাটের আত্রেয়ীতে তলিয়ে যাওয়া ছাত্রের দেহ বাংলাদেশ থেকে উদ্ধার
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:০৮
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বালুরঘাটের আত্রেয়ীতে তলিয়ে যাওয়া দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের দেহ ভেসে উঠল বাংলাদেশে। বালুরঘাট শহরের রঘুনাথ মন্দিরের ঘাটে গত রবিবার বিকেলে ওই ছাত্র ডুবে যায়। সোমবার ডুবুরি নামিয়ে বালুরঘাট শহরে নদীর অনেক জায়গায় খোঁজ করে পুলিস। কিন্তু হদিশ মেলেনি। অবশেষে বাংলাদেশের পত্নীতলা থানার নাজিপুর থেকে খবর আসে মৃতদেহ উদ্ধারের। সোমবার বিকেলে সেখানকার পুলিস মৃতদেহটি উদ্ধার করে। বালুরঘাট থানার পুলিস বিএসএফের মাধ্যমে যোগাযোগ করে পত্নীতলা থানার সঙ্গে। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে বালুরঘাটের ডাঙ্গি বিওপি দিয়ে দেহটি ফেরান হয়। সেময় বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস, বিএসএফ এবং পরিবারের সদস্যরা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে উপস্থিত ছিলেন। দুই দেশের ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের পর দেহ সনাক্ত করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিস জানিয়েছে, ওই ছাত্রের কীভাবে মৃত্যু হল তা নিয়ে তদন্তের দাবি করেছে বাবা। সাঁতার শেখাতে নিয়ে যাওয়া তিন বন্ধু ঘটনাস্থলে ছিল বলে অভিযোগ। এই মৃত্যুতে দু’জনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। 

Advertisement

বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস বলেন, দেহটি বাংলাদেশে চলে গিয়েছিল। এদিন বাংলাদেশ থেকে দেহটি ফেরান হয়েছে। এনিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম কৃতিবান বর্মন (১৭)। বাড়ি বালুরঘাটের মিলন সঙ্ঘ এলাকায়। সে রবিবার বিকেলে টিউশন পড়তে যাবে বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর বন্ধুর কাছে সাঁতার শিখতে জলে নেমেছিল। দু’জন জলে ছিল এবং আরেকজন উপর থেকে ভিডিও করে উৎসাহ দিচ্ছিল। এরপর ডুবে গেলে বাকি বন্ধুরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। 
ঘণ্টা দু’য়েক নদীর ধারে ব্যাগ, মোবাইল ও সাইকেল পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা ঘটনাটি বুঝতে পারে। পরে একটি ভিডিও পাওয়া যায়। তাতে দেখা যায়, দু’জনে সাঁতার কাটছে। আরেকজন উৎসাহ দিয়ে ভিডিও বানাচ্ছে। এরপরও বাকি দুই বন্ধু বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। পুলিস জিজ্ঞাসাবাদ করলেও স্বীকার করেনি। ফলে তাদের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ হয়। 
মৃত ছাত্রের বাবা অজয় বর্মন বলেন, সোমবার সারাদিন খোঁজখবর করি। কিন্তু ছেলে কীভাবে ডুবে গেল জানতে পারছি না। বাকি দুই বন্ধু এব্যাপারে সাহায্য করেনি কেন? বিষয়টি জানতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এদিন দেহ বাংলাদেশ থেকে আনা হয়েছে। আমি চাই আমার ছেলের  মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হোক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ