Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দীঘার হোটেলে মালদহের বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য

দীঘার হোটেলে মালদহের বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য

দীঘার হোটেলে মালদহের বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০

সংবাদদাতা, কাঁথি: সৈকতশহর দীঘার হোটেলে মালদহের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম চুমকি দাস অধিকারী(২৫)। তাঁর পরিবারের লোকজন খুনের অভিযোগ তুলছেন। তবে পুলিস জানিয়েছে, কোনও অভিযোগ হয়নি। ডিএসপি(ডিঅ্যান্ডটি) আবু নুর হোসেন বলেন, গৃহবধূর সঙ্গে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের কাউকেই পাওয়া যায়নি। আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃতার পরিজনরা কোনও অভিযোগ দায়ের করলে সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু হবে। তদন্তে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে ওল্ড মালদহের ফুলবাড়ি এলাকায় পেশায় ব্যাঙ্ককর্মী এক যুবকের সঙ্গে চুমকির বিয়ে হয়েছিল। তবে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হয়নি। বছরতিনেক ধরে তিনি বাপেরবাড়ি হবিবপুর থানার বুলবুলি মানিকরা এলাকায় থাকছিলেন। গত সোমবার চুমকি সহ পাঁচজন দীঘায় বেড়াতে আসেন। পুলিসের দাবি, সঙ্গে ছিলেন তাঁর পরিচিত যুবক, এক দম্পতি ও তাঁদের কন্যাসন্তান। তাঁরা উঠেছিলেন নিউ দীঘার একটি হোটেলে। তিনদিনের জন্য দু’টি রুম ভাড়া নেন। বৃহস্পতিবার তাঁদের হোটেল ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। 
ওইদিন সঙ্গীরা বাইরে খাবার আনতে যান। তবে অসুস্থ রয়েছেন জানিয়ে চুমকি যাননি। তাঁরা ফিরে এসে রুমে সিলিং ফ্যানে কাপড়ের ফাঁসে চুমকিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। এরপর ভয়ে খাবার রুমের মধ্যে ফেলে দিয়ে তালা লাগিয়ে চাবি নিয়ে পালিয়ে যান সকলেই। পরে তাঁরাই হোটেলে ফোন করে জানান, রুমে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন চুমকি। হোটেল কর্তৃপক্ষ রুম বন্ধ দেখে দীঘা থানায় খবর দেন। পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তারপর বাড়ির লোকজনকে খবর দেওয়া হলে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁরা দীঘায় এসে পৌঁছন।
চুমকির মা বন্দনা দাসের অভিযোগ, মেয়েকে খুন করে সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি পুলিসের কাছে দাবি করেছেন, মেয়ে যে দীঘায় ঘুরতে এসেছিল, সেটা তিনি জানতেন না। সে কলকাতায় একটি চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিল।

সম্পর্কিত সংবাদ