সংবাদদাতা, কান্দি: বড়ঞা ব্লকে ময়ূরাক্ষী নদীর ১৩টি বালিঘাট নিলামের পর বিএলএলআরও অফিসের তরফে এখনও সমস্ত ঘাট চিহ্নিত করা হয়নি। তবু ওই নদীর বিভিন্ন খাদান থেকে বেআইনিভাবে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। এমনকী, নদীর বাঁধ কেটে বালি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে এলাকার বাসিন্দারা বাঁধ দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
Advertisement
বড়ঞার বিএলএলআরও প্রান্তিকরঞ্জন পড়াই এনিয়ে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, এবছর ময়ূরাক্ষী নদীর ১৩টি বালি খাদান নিলাম হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে চারটি খাদানের প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়া হয়েছে। আমার অসুস্থতার কারণে সেগুলির সংশ্লিষ্ট এলাকা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। তবে তাড়াতাড়ি তদন্ত করে বেআইনি বালি খাদান বন্ধ করা হবে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, ব্লকের বিভিন্ন বালি খাদান থেকে প্রকাশ্যে বালি পাচার চলছে। নারায়ণপুর, রাজ্যধরপুর, রাজহাট, শিউলি, সেনাই, পেটারি, হাতিশালা, বেলগ্রাম ইত্যাদি খাদান থেকে প্রকাশ্যে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দা সাদরুল ইসলাম বিএলএলআরও সহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, যে সমস্ত খাদানে বালি তোলা হচ্ছে, সেগুলি থেকে বালি তোলার মেয়াদ অনেক আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। নতুন করে ওই বালিঘাট এখনও নিলাম হয়নি। কিন্তু প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর বিভিন্ন খাদানে বালি তুলে ডাম্পার, ট্রাক ও ট্রাক্টরে লোড করা হচ্ছে। সেসব গাড়িতে প্রকাশ্যে বালি পাচার চলছে। রাজ্যধরপুরের এক বাসিন্দা বলেন, অনেকদিন ধরে এই বেআইনি কারবার চলছে। কিন্তু কার কাছে অভিযোগ জানাব? পাঁচ কান হয়ে গেলে মার খেতে হবে। অপর এক বাসিন্দা বলেন, যারা বালির কারবার করে, এলাকায় তাদের দাপট রয়েছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয়, বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে ময়ূরাক্ষীর বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এসব বন্ধ হওয়া দরকার।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, ব্লকের বিভিন্ন বালি খাদান থেকে প্রকাশ্যে বালি পাচার চলছে। নারায়ণপুর, রাজ্যধরপুর, রাজহাট, শিউলি, সেনাই, পেটারি, হাতিশালা, বেলগ্রাম ইত্যাদি খাদান থেকে প্রকাশ্যে বালি তুলে পাচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দা সাদরুল ইসলাম বিএলএলআরও সহ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, যে সমস্ত খাদানে বালি তোলা হচ্ছে, সেগুলি থেকে বালি তোলার মেয়াদ অনেক আগে শেষ হয়ে গিয়েছে। নতুন করে ওই বালিঘাট এখনও নিলাম হয়নি। কিন্তু প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বালি তোলা হচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদীর বিভিন্ন খাদানে বালি তুলে ডাম্পার, ট্রাক ও ট্রাক্টরে লোড করা হচ্ছে। সেসব গাড়িতে প্রকাশ্যে বালি পাচার চলছে। রাজ্যধরপুরের এক বাসিন্দা বলেন, অনেকদিন ধরে এই বেআইনি কারবার চলছে। কিন্তু কার কাছে অভিযোগ জানাব? পাঁচ কান হয়ে গেলে মার খেতে হবে। অপর এক বাসিন্দা বলেন, যারা বালির কারবার করে, এলাকায় তাদের দাপট রয়েছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয়, বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে ময়ূরাক্ষীর বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ছে। এসব বন্ধ হওয়া দরকার।



