নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: আবাস যোজনার টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরি করতে পারছেন না পুরুলিয়া-১ ব্লকের চাকলতোড় পঞ্চায়েতের কড়াডি গ্রামের বাসিন্দারা। প্রশাসন সূত্রের খবর, আবাস প্রাপকরা যে জায়গায় বসবাস করছেন, তা বনদপ্তরের। ফলে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে গেলে বনদপ্তরের তরফে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। গ্রামের অনেককে বনদপ্তরের তরফে নোটিসও পাঠানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাড়ি তৈরি কার্যত অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের। আবাস প্রাপকদের দাবি, বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করুক প্রশাসন।
Advertisement
পুরুলিয়া থেকে বরাবাজার যাওয়ার পথেই পড়ে কড়াডি গ্রাম। রাস্তার ধারেই বেদিয়া সম্প্রদায়ের প্রায় ২০টি পরিবারের বসবাস।পরিবারের পুরুষরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে সাপ খেলা দেখান।সেই রোজগারেই কোনও রকমে সংসারচলে। মহিলাদের অনেকে খেজুর পাতার চাটাই তৈরি করেন। গ্রামের শিক্ষার আলো এখনও সেভাবে প্রবেশ করেনি। স্থানীয় সূত্রের খবর, বেদিয়ারা মূলত যাযাবর প্রজাতির। গত ২৫-৩০ বছর আগে তাঁরা এই এলাকায় এসে বসবাস শুরু করেন। পাকা ঘর নেই কারওরই। মাটির ঝুপড়ি ঘরেই কোনও ভাবে বসবাস। তবে, প্রশাসনের সহযোগিতায় ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, রেশন কার্ড রয়েছে প্রত্যেকেরই। সম্প্রতি বেদিয়া সম্প্রদায়ের মোট সাতজন আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির প্রথম কিস্তির টাকাও পেয়েছেন। তাই নিয়েই যত গন্ডগোল!
গ্রামের বাসিন্দা মথুর বেদিয়া, ছটুলাল বেদিয়া, মন্টু বেদিয়ারাবলেন, টাকা পেয়ে বাড়ি তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছিলাম। এমন সময় বনদপ্তরের নোটিস এসে পৌঁছয় আমাদের কাছে। জানা গিয়েছে,বেআইনিভাবে বনভূমি দখলের কারণে গত ৫ জানুয়ারি বাসিন্দাদের অনেককেই নোটিস দিয়ে যায় বনদপ্তর। পরেরদিন দেখা করতে বলা হয়। বাসিন্দাদের দাবি, নির্দেশ মেনে তাঁরা পরেরদিন দেখাও করেন। তখনই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বনদপ্তরের জমিতে পাকা বাড়ি করা যাবে না। বাড়ি তৈরি করলে ভেঙে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাঁদের উচ্ছেদও করা হতে পারে। এতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁদের।
গ্রামের ননীবালা বেদিয়া, বৈশাখী বেদিয়ারা বলেন, বললেই হল তুলে দেবে? তুলে দিলে যাব কোথায়? কে জায়গা দেবে? আমরা এই জায়গা ছেড়ে কোথায় যাব না। সরকার আমাদের পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করুক।এনিয়ে পুরুলিয়া-পারার রেঞ্জার অসিতবরণ সিং সর্দার বলেন, বনদপ্তরের জায়গায় বসবাস, নির্মাণ বেআইনি। সেই কারণেই আমরা নোটিস পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।এনিয়ে পুরুলিয়ার সদর মহকুমার এসডিও উত্পল ঘোষ বলেন, ঘটনার কথা জেনেছি। জমিজটের জেরে আবাস প্রকল্পের কাজ আটকে রয়েছে। বিষয়টি সহানুভুতির সঙ্গেই দেখা হবে। পুরুলিয়া-১ ব্লকের বিডিও মনোজকুমার মাইতি বলেন, সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে।
গ্রামের বাসিন্দা মথুর বেদিয়া, ছটুলাল বেদিয়া, মন্টু বেদিয়ারাবলেন, টাকা পেয়ে বাড়ি তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছিলাম। এমন সময় বনদপ্তরের নোটিস এসে পৌঁছয় আমাদের কাছে। জানা গিয়েছে,বেআইনিভাবে বনভূমি দখলের কারণে গত ৫ জানুয়ারি বাসিন্দাদের অনেককেই নোটিস দিয়ে যায় বনদপ্তর। পরেরদিন দেখা করতে বলা হয়। বাসিন্দাদের দাবি, নির্দেশ মেনে তাঁরা পরেরদিন দেখাও করেন। তখনই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে, বনদপ্তরের জমিতে পাকা বাড়ি করা যাবে না। বাড়ি তৈরি করলে ভেঙে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাঁদের উচ্ছেদও করা হতে পারে। এতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁদের।
গ্রামের ননীবালা বেদিয়া, বৈশাখী বেদিয়ারা বলেন, বললেই হল তুলে দেবে? তুলে দিলে যাব কোথায়? কে জায়গা দেবে? আমরা এই জায়গা ছেড়ে কোথায় যাব না। সরকার আমাদের পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করুক।এনিয়ে পুরুলিয়া-পারার রেঞ্জার অসিতবরণ সিং সর্দার বলেন, বনদপ্তরের জায়গায় বসবাস, নির্মাণ বেআইনি। সেই কারণেই আমরা নোটিস পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে।এনিয়ে পুরুলিয়ার সদর মহকুমার এসডিও উত্পল ঘোষ বলেন, ঘটনার কথা জেনেছি। জমিজটের জেরে আবাস প্রকল্পের কাজ আটকে রয়েছে। বিষয়টি সহানুভুতির সঙ্গেই দেখা হবে। পুরুলিয়া-১ ব্লকের বিডিও মনোজকুমার মাইতি বলেন, সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে।



