নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: জেলাজুড়ে বন্ধ ইন্টারনেট। ফলে রোজকার অভ্যেসমতো মোবাইল ঘাঁটা সম্ভব হচ্ছে না। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্রাউজিং ও গেম খেলার অবকাশ নেই। তাই তরুণ ও যুবকদের অনেকেই গল্পের বইয়ে মুখ গুঁজেছে। আবার অনেকে বহু দিন পর খেলার মাঠে গিয়েছে। তিনদিন হলেও জেলার তরুণ ও যুবসমাজের দৈনন্দিন রুটিনে কিছুটা হলেও বদল হয়েছে।
Advertisement
পঞ্চাননতলার বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ছেলেমেয়েরা মোবাইল কম ঘাঁটছে। সেসময় অল্পক্ষণ হলেও বইয়ের পাতা ওল্টাচ্ছে। ইন্টারনেট না থাকায় অনেক সমস্যা হলেও এটা দেখে ভালো লাগছে। ওরা এই অভ্যাসটা ধরে রাখলে খুব ভালে হবে। তিনি বলেন, অনেকেই বই পড়তে ভালোবাসেন। কিন্তু মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অবসর সময়ে ঢুকে পড়ায় বই তাঁদের জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনেকেই বইয়ের ধুলো ঝাড়ছে।
ফরাক্কার একটি কলেজের অধ্যাপক সমিত মণ্ডল বলেন, পড়ার বই ছাড়া অন্য বইয়ের প্রতি পড়ুয়াদের আকর্ষণ ক্রমেই কমছে। সবসময় ইউটিউবে ভিডিও বা সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল দেখছিল। এখন নেট না থাকায় বই পড়ছে। দেখে ভালো লাগছে। বহরমপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যারাক স্কোয়ার ময়দান। রোজ সকাল ও বিকেলে বহু ছেলেমেয়ে সেখানে ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন ও বাস্কেট বল খেলে। অনেকে শরীরচর্চা করেন। অন্যদিনের তুলনায় গত তিনদিনে মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেড়েছে। ব্যাটবল নিয়ে ক্রিকেট খেলতে নেমেছেন অনেক কিশোর ও তরুণ। তরুণীরাও ব্যাডমিন্টন র্যাকেট নিয়ে মাঠে এসেছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া ঋতম মুখোপাধ্যায় বলেন, মোবাইলে গেম খেলতে আমি বরাবর পছন্দ করি। এখন হাইস্পিড ইন্টারনেট ছাড়া খেলা যায় না। ইন্টারনেট নেই। তাই ব্যাটবল নিয়ে মাঠে এসেছি। ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ছে। তবে বেশ কিছু শিশুর অভিভাবকরা সমস্যায় পড়েছেন। বাচ্চাকে সহজে খাওয়ানোর জন্য মোবাইলে কার্টুন চালিয়ে দেওয়া তাঁদের অভ্যাস। কার্টুন দেখতে দেখতে সহজেই খেয়ে নেয় শিশুরা। এখন নেট না থাকায় তাদে কার্টুন দেখানো যাচ্ছে না। ফলে ওই শিশুরা এখন কিছুতেই খেতে চাইছে না। ডোমকলের বাসিন্দা অভিরূপা দাস বলেন, আমার মেয়ের চার বছর বয়স। নিজে নিজে খেতে পারে। তবে খেতে বসে প্রতিদিন কার্টুন দেখা চাই। তিনদিন ধরে নেট না থাকায় কার্টুন চালাতে পারছি না। মেয়েও একদম খেতে চাইছে না। ৪০ মিনিট ধরে নানা গল্প বলে খাওয়াতে হচ্ছে।
ফরাক্কার একটি কলেজের অধ্যাপক সমিত মণ্ডল বলেন, পড়ার বই ছাড়া অন্য বইয়ের প্রতি পড়ুয়াদের আকর্ষণ ক্রমেই কমছে। সবসময় ইউটিউবে ভিডিও বা সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল দেখছিল। এখন নেট না থাকায় বই পড়ছে। দেখে ভালো লাগছে। বহরমপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যারাক স্কোয়ার ময়দান। রোজ সকাল ও বিকেলে বহু ছেলেমেয়ে সেখানে ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টন ও বাস্কেট বল খেলে। অনেকে শরীরচর্চা করেন। অন্যদিনের তুলনায় গত তিনদিনে মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেড়েছে। ব্যাটবল নিয়ে ক্রিকেট খেলতে নেমেছেন অনেক কিশোর ও তরুণ। তরুণীরাও ব্যাডমিন্টন র্যাকেট নিয়ে মাঠে এসেছেন। দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়া ঋতম মুখোপাধ্যায় বলেন, মোবাইলে গেম খেলতে আমি বরাবর পছন্দ করি। এখন হাইস্পিড ইন্টারনেট ছাড়া খেলা যায় না। ইন্টারনেট নেই। তাই ব্যাটবল নিয়ে মাঠে এসেছি। ছোটবেলার কথা খুব মনে পড়ছে। তবে বেশ কিছু শিশুর অভিভাবকরা সমস্যায় পড়েছেন। বাচ্চাকে সহজে খাওয়ানোর জন্য মোবাইলে কার্টুন চালিয়ে দেওয়া তাঁদের অভ্যাস। কার্টুন দেখতে দেখতে সহজেই খেয়ে নেয় শিশুরা। এখন নেট না থাকায় তাদে কার্টুন দেখানো যাচ্ছে না। ফলে ওই শিশুরা এখন কিছুতেই খেতে চাইছে না। ডোমকলের বাসিন্দা অভিরূপা দাস বলেন, আমার মেয়ের চার বছর বয়স। নিজে নিজে খেতে পারে। তবে খেতে বসে প্রতিদিন কার্টুন দেখা চাই। তিনদিন ধরে নেট না থাকায় কার্টুন চালাতে পারছি না। মেয়েও একদম খেতে চাইছে না। ৪০ মিনিট ধরে নানা গল্প বলে খাওয়াতে হচ্ছে।



