সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: বাম আমলে পাথরে পিচ পরলেও সংস্কার হয়নি রাস্তা। এতেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়রা। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটে হলদিবাড়ি ব্লকের দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বালাডাঙা।
Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, ১৬ বছর আগে আড়াই কিমি রাস্তায় পাথর বিছানো হলেও কাজ আর সম্পন্ন হয়নি। আট বছর আগে জেলাশাসকের কাছে রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন করেন বাসিন্দারা। পরবর্তীতে গত আট মাস আগে হলদিবাড়ি বিডিও অফিসেও আবেদন করা হয়। তারপরও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাদের দাবি, ভোট আসলেই জন প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যায়। ভোট মিটতে না মিটতেই জন প্রতিনিধিদের দেখা পাওয়া যায় না।
এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আলিউল মহম্মদ এবং বধূ বাসন্তী রায় বলেন, বালাডাঙা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আড়াই কিমি রাস্তার বেহাল দশা। রাতে কেউ অসুস্থ হলে এলাকায় অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে এক কিমি দূরে রোগীকে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে হয়। রাস্তা বেহাল থাকায় কয়েকজন দুর্ঘটনায় পড়েন। শিশুরাও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেতে চায় না। একাধিকবার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানালেও কাজ হয়নি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনের আগে যদি রাস্তা সংস্কার না হলে আমরা ভোট বয়কট করতে বাধ্য হব।
এবিষয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সদস্যা আলপনা রায় বলেন, ওই রাস্তাটির বিষয়ে আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। খুব শীঘ্রই রাস্তাটির কাজ শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের সমস্যা মিটবে।
এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা আলিউল মহম্মদ এবং বধূ বাসন্তী রায় বলেন, বালাডাঙা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আড়াই কিমি রাস্তার বেহাল দশা। রাতে কেউ অসুস্থ হলে এলাকায় অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে চায় না। বাধ্য হয়ে এক কিমি দূরে রোগীকে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে তুলতে হয়। রাস্তা বেহাল থাকায় কয়েকজন দুর্ঘটনায় পড়েন। শিশুরাও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে যেতে চায় না। একাধিকবার জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকদের জানালেও কাজ হয়নি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনের আগে যদি রাস্তা সংস্কার না হলে আমরা ভোট বয়কট করতে বাধ্য হব।
এবিষয়ে কোচবিহার জেলা পরিষদের সদস্যা আলপনা রায় বলেন, ওই রাস্তাটির বিষয়ে আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। খুব শীঘ্রই রাস্তাটির কাজ শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের সমস্যা মিটবে।



