সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে আমন ধান কাটা শুরু হলেও সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়নি। এতে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। খাদ্যদপ্তরের দাবি, ধান কাটার কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় ধান কেনা শুরু করা যাচ্ছে না।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ধান কাটার কাজ ৯০ শতাংশ শেষ। কবে থেকে ধান কেনা চালু হবে তা নিয়েও অন্ধকারে কৃষকরা। বাধ্য হয়ে কম দামে ফড়েদের কাছে ধান বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে তাঁরা। দ্রুত সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা চালুর দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। খাদ্যদপ্তরের জেলা আধিকারিক সুরজিৎ দেবশর্মা বলেন, এখনও সেভাবে ধান কাটার কাজ শেষ হয়নি। তাই আমরা ধান কেনা চালু করিনি। ধান কাটার কাজ শেষ হয়ে গেলেই কেনা শুরু হবে। খাদ্যদপ্তরের জেলা আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহ থেকে আমরা ধান ক্রয় শুরু করে দেব।
কৃষিদপ্তরের আধিকারিক আকাশ সাহা বলেন, এবারে ব্যাপক ফলন হয়েছে। ধান কাটার কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ। বালুরঘাটের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষক স্বরূপ লাহা জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, সরকার দ্রুত ধান কেনা চালু করুক। জানা গিয়েছে, এবার কুইন্টাল প্রতি ২৩২০ টাকায় ধান কেনা হবে। এবছর ১ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ২ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও রাইস মিলগুলি এখনও ধান ক্রয় শুরু করেনি। যার ফলে কৃষকরা কম দামে ২১০০ টাকা প্রতি কুইন্টালে ফড়েদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।
কৃষিদপ্তরের আধিকারিক আকাশ সাহা বলেন, এবারে ব্যাপক ফলন হয়েছে। ধান কাটার কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ। বালুরঘাটের অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষক স্বরূপ লাহা জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, সরকার দ্রুত ধান কেনা চালু করুক। জানা গিয়েছে, এবার কুইন্টাল প্রতি ২৩২০ টাকায় ধান কেনা হবে। এবছর ১ লক্ষ ৩০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ২ নভেম্বর থেকে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের কথা থাকলেও রাইস মিলগুলি এখনও ধান ক্রয় শুরু করেনি। যার ফলে কৃষকরা কম দামে ২১০০ টাকা প্রতি কুইন্টালে ফড়েদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।



