সংবাদদাতা, তেহট্ট: অস্বাভাবিক ভাড়া বৃদ্ধির অভিযোগে বুধবার তেহট্ট ফেরিঘাট অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। বন্ধ হয়ে যায় যাত্রী পারাপার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তেহট্ট ও পলাশীপাড়া থানার পুলিস। পুলিস অবরোধকারীদের বোঝালেও অবরোধ ওঠেনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর তেহট্ট থানায় ফেরিঘাটের ইজারাদার ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বৈঠকে সমঝোতা হওয়ায় ফেরিঘাট অবরোধ মুক্ত হয়। শুরু হয় পারাপার। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, তেহট্ট-১ ও ২ ব্লক কে আলাদা করেছে জলঙ্গি নদী। তেহট্ট-২ ব্লকের চকবিহারী, নতিপোতা, হাঁসপুকুরিয়া, ঈশ্বরচন্দ্রপুর, ধরমপুর, বার্নিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রাম, চাঁদেরঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রাম সহ অন্যান্য এলাকার মানুষজন বিভিন্ন কাজে প্রতিনিয়ত তেহট্ট শহরে আসা যাওয়া করে। তেহট্ট শহরেই আছে মহকুমা অফিস, পরিবহণ দপ্তরের অফিস, কলেজ, আইটিআই কলেজ, দমকল দপ্তর, আদালত, মহকুমা হাসপাতাল, স্কুল। তাই ওই এলাকার মানুষদের বিভিন্ন কাজে তেহট্টে আসতে হয়। সব্জি ও আনাজ নিয়েও তাঁরা তেহট্টে বিক্রি করতে আসেন। জলঙ্গি নদী পার হয়েই সকলকে আসা যাওয়া করতে হয়। সারা বছর বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করলেও বর্ষার সময় নৌকা ছাড়া গতি নেই। আগে এই ফেরিঘাটের ভাড়া কম থাকলেও বর্তমানে তা বাড়ানো হয়েছে। এদিন বিক্ষোভকারীরা তেহট্ট ও চকবিহারী দু’ দিকেই বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে অবরোধ করে। তাঁদের দাবি, পুরনো হারেই ভাড়া নিতে হবে। বিক্ষোভকারী অমিত হালদার বলেন, আমরা যেখানে বাস করি সেখান থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে তেহট্টে যেতে হয়। ভাড়া বাড়ানোর আগে আমাদের মতো আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা ভাবা উচিত ছিল। আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ইজারদারা রজব আলি মণ্ডল বলেন, আমরা ছাত্রছাত্রীদের থেকে ভাড়া নিই না। চকবিহারি ও আশেপাশের গ্রামের যারা চার-পাঁচ বার পারাপার করবেন তাঁদের ভাড়া অর্ধেক নেব।



