সংবাদদাতা, মালদহ: বাংলাদেশের নাগরিকদের মালদহের হোটেলগুলিতে ঘর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল জেলার হোটেল মালিকদের সংগঠন। বাংলাদেশের একাংশ বাসিন্দা যেভাবে ভারত বিরোধিতায় সামিল হয়েছেন, তার প্রতিবাদেই এই সিদ্ধান্ত বলে মালদহ হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ, বুধবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী হতে চলেছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য হোটেল মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলা পুলিস বৈঠকে বসার আবেদন জানিয়েছেন। তবে সেখানে যা আলোচনাই হোক, সংগঠনের সদস্যরা তাঁদের সিদ্ধান্তে অনড় বলে জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন মালদহের হোটেল মালিকদের এই সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
Advertisement
অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী মঙ্গলবার বলেন, সংগঠনে মালদহের ৯৩টি হোটেল রয়েছে। আমাদের সাংগঠনিক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাগরিকদের হোটেলের রুম ভাড়া দেব না। যেভাবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশে পরিকল্পনা করে তীব্র ভারত বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে, তাতে আমরা মর্মাহত। আমাদের কাছে সবার আগে দেশ। বাংলাদেশে বিভিন্নভাবে আমাদের দেশের মর্যাদাহানি করা হচ্ছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত। পুলিসের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছে। সেখআনে অবস্থান স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করব।
অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্যের কথায়, দেশের অসম্মানের প্রতিবাদের পাশাপাশি সুরক্ষার দিকটাও ভাবছি। প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে রোগীরা ভারতে চিকিৎসার জন্য আসেন। কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তাতে সেদেশ থেকে রোগী সেজে ভারতে এসে নাশকতা করাও হতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে। আমাদের হোটেল ব্যবহার যাতে ভারত বিরোধী কাজ না করতে পারে সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।
বাংলাদেশে যাতায়াতের জন্য মালদহের মহদিপুরে স্থলবন্দর রয়েছে। প্রতিদিন সেখান দিয়ে গড়ে প্রায় তিনশো জন ভারতে আসা যাওয়া করেন। তাঁরা কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই সহ দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন শহরে যান। আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে অনেক সময় মালদহের হোটেলগুলিতে কয়েক রাত কাটান বাংলাদেশিরা। প্রত্যেক মাসে গড়ে মালদহের হোটেলগুলিতে প্রায় আটশো বাংলাদেশের বাসিন্দা থাকেন বলেও খবর।
মালিক সংগঠনের এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডুর মন্তব্য, সবার আগে দেশ। হোটেল মালিকদের সংগঠন আমাদের সহযোগী। স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাঁদের রয়েছে। আমরা হস্তক্ষেপ করব না।
জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেছেন, বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটছে, তা ন্যক্কারজনক। আমরা তীব্র নিন্দা করি। তবে বিষয়টি আন্তর্জাতিক। এবিষয়ে যা বলার, আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব বলবেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনাধীন।
দক্ষিণ মালদহ জেলা বিজেপি সভাপতি পার্থসারথি ঘোষ হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্যের কথায়, দেশের অসম্মানের প্রতিবাদের পাশাপাশি সুরক্ষার দিকটাও ভাবছি। প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে রোগীরা ভারতে চিকিৎসার জন্য আসেন। কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তাতে সেদেশ থেকে রোগী সেজে ভারতে এসে নাশকতা করাও হতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা হচ্ছে। আমাদের হোটেল ব্যবহার যাতে ভারত বিরোধী কাজ না করতে পারে সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।
বাংলাদেশে যাতায়াতের জন্য মালদহের মহদিপুরে স্থলবন্দর রয়েছে। প্রতিদিন সেখান দিয়ে গড়ে প্রায় তিনশো জন ভারতে আসা যাওয়া করেন। তাঁরা কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই সহ দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন শহরে যান। আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে অনেক সময় মালদহের হোটেলগুলিতে কয়েক রাত কাটান বাংলাদেশিরা। প্রত্যেক মাসে গড়ে মালদহের হোটেলগুলিতে প্রায় আটশো বাংলাদেশের বাসিন্দা থাকেন বলেও খবর।
মালিক সংগঠনের এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি জয়ন্ত কুণ্ডুর মন্তব্য, সবার আগে দেশ। হোটেল মালিকদের সংগঠন আমাদের সহযোগী। স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাঁদের রয়েছে। আমরা হস্তক্ষেপ করব না।
জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেছেন, বাংলাদেশে যে ঘটনা ঘটছে, তা ন্যক্কারজনক। আমরা তীব্র নিন্দা করি। তবে বিষয়টি আন্তর্জাতিক। এবিষয়ে যা বলার, আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব বলবেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনাধীন।
দক্ষিণ মালদহ জেলা বিজেপি সভাপতি পার্থসারথি ঘোষ হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।



