রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়, খাতড়া: ভরা পর্যটনের মরশুমে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে পরিকাঠামোগত নানা সমস্যায় পর্যটকদের ভোগান্তি হচ্ছে। জেলার বেশিরভাগ পর্যটনকেন্দ্র খাতড়া মহকুমা এলাকায় রয়েছে। মহকুমার মুকুটমণিপুর, ঝিলিমিলি, সুতান রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছর শীতে ভিনজেলা, এমনকী অন্যরাজ্য থেকেও অনেকে পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মাটির বাঁধ মুকুটমণিপুর জলাধার দেখতে আসেন। অথচ ওই ড্যামে যাওয়ার মূল রাস্তা বাঁকুড়া-খাতড়া রাজ্য সড়ক সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে ভরেছে। কুয়াশায় ওই বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।
Advertisement
এছাড়া, রানিবাঁধের ১২ মাইল জঙ্গলকে অনেকেই ‘বাঁকুড়ার আমাজন’ বলে থাকেন। পর্যটকদের ওই মনোরম জঙ্গল দেখার সুবিধার্থে খাতড়া-ঝিলিমিলি রাস্তার পাশে বেশকিছু ‘ভিউ পয়েন্ট’ তৈরি করা হয়েছিল। তার পাশে একাধিক শৌচাগারও তৈরি করা হয়। এখন সেগুলি ভেঙেচুরে গিয়েছে। সেগুলি মেরামতের বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতায় পর্যটকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
খাতড়ার মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য বলেন, ওই রাজ্য সড়ক ধরে আমাকেও জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়। ফলে রাস্তার অবস্থা আমি জানি। খুব তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১২ মাইলের জঙ্গলে ভিউ পয়েন্টের শৌচাগার বেহাল থাকার কথা আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা হবে।
মহকুমা শাসক জানান, মুকুটমণিপুর সহ বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের পর্যটনকেন্দ্রে কয়েকবছরে ব্যাপক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। ফলে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন। আরও উন্নতি করার বিষয়ে প্রশাসন সমস্ত মহলের সঙ্গে আলোচনা করছে।
আগে জঙ্গলমহলের রাস্তাঘাটের অবস্থা শোচনীয় ছিল। অশান্তির কারণে ঠিকাদাররা কাজ করতেও ভয় পেত। পালাবদলের পর জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরানো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে প্রচুর কাজ করেছে রাজ্য সরকার। এই বিষয়টি বিরোধীরাও মেনে নেয়। তবে কয়েকবছরে বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-দুর্গাপুর সহ অন্য রাস্তা ঝা চকচকে হলেও বাঁকুড়া-খাতড়া সড়ক কিছুটা দুয়োরানি হয়েই রয়ে গিয়েছে। দু’লেনের ওই রাস্তায় পাশাপাশি বাস বা ট্রাক যেতে সমস্যা হয়। ফলে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে। তার উপর রাস্তার একাংশে বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। ইন্দপুর থেকে খাতড়ার মধ্যে রাস্তার হাল সবচেয়ে খারাপ। ফলে পর্যটক ও পিকনিক পার্টির গাড়ি যেতে সমস্যা হচ্ছে। এখন বাঁকুড়ায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। রাতভর কুয়াশার প্রকোপও থাকছে। এই পরিস্থিতিতে বেহাল রাস্তার কারণে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
খাতড়ার মহকুমা শাসক শুভম মৌর্য বলেন, ওই রাজ্য সড়ক ধরে আমাকেও জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়। ফলে রাস্তার অবস্থা আমি জানি। খুব তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১২ মাইলের জঙ্গলে ভিউ পয়েন্টের শৌচাগার বেহাল থাকার কথা আমার জানা ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা হবে।
মহকুমা শাসক জানান, মুকুটমণিপুর সহ বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের পর্যটনকেন্দ্রে কয়েকবছরে ব্যাপক পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। ফলে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন। আরও উন্নতি করার বিষয়ে প্রশাসন সমস্ত মহলের সঙ্গে আলোচনা করছে।
আগে জঙ্গলমহলের রাস্তাঘাটের অবস্থা শোচনীয় ছিল। অশান্তির কারণে ঠিকাদাররা কাজ করতেও ভয় পেত। পালাবদলের পর জঙ্গলমহলে শান্তি ফেরানো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে প্রচুর কাজ করেছে রাজ্য সরকার। এই বিষয়টি বিরোধীরাও মেনে নেয়। তবে কয়েকবছরে বাঁকুড়া-ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া-দুর্গাপুর সহ অন্য রাস্তা ঝা চকচকে হলেও বাঁকুড়া-খাতড়া সড়ক কিছুটা দুয়োরানি হয়েই রয়ে গিয়েছে। দু’লেনের ওই রাস্তায় পাশাপাশি বাস বা ট্রাক যেতে সমস্যা হয়। ফলে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে। তার উপর রাস্তার একাংশে বড় বড় গর্ত হয়ে রয়েছে। ইন্দপুর থেকে খাতড়ার মধ্যে রাস্তার হাল সবচেয়ে খারাপ। ফলে পর্যটক ও পিকনিক পার্টির গাড়ি যেতে সমস্যা হচ্ছে। এখন বাঁকুড়ায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। রাতভর কুয়াশার প্রকোপও থাকছে। এই পরিস্থিতিতে বেহাল রাস্তার কারণে রাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।



