Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৫০-এর নীচে নামবে বিজেপির আসন সংখ্যা: অরূপ বিশ্বাস

বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেও বাংলায় কিছু করতে পারবে না। ওদের আসন সংখ্যা ৫০-এর নীচে নেমে যাবে।

৫০-এর নীচে নামবে বিজেপির আসন সংখ্যা: অরূপ বিশ্বাস
  • ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মাধবডিহি: বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেও বাংলায় কিছু করতে পারবে না। ওদের আসন সংখ্যা ৫০-এর নীচে নেমে যাবে। এটা হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ বা দিল্লি নয়। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন। একজন ভোটারের নাম বাদ দিলে জীবন দিয়ে আন্দোলন করা হবে। শনিবার ওয়ার রুম পরিদর্শনে এসে এমনটাই বলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এদিন তিনি মাধবডিহি, খণ্ডঘোষ, বড়শুল, বর্ধমান, মেমারির ওয়ার রুম পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ প্রমুখ। বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে এসআইআরের কাজ কতটা এগিয়েছে তা তিনি খুঁটিয়ে দেখেন। কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ব্লকের নেতাদের বেশকিছু পরামর্শ দেন। শুক্রবার থেকে মন্ত্রী ওয়ার রুম পরিদর্শন করতে শুরু করেছেন। দু’দিনে আউশগ্রাম বাদে জেলার সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি যান।

Advertisement

জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, কারচুপি করে বিজেপি ভোটে জিততে চাইছে। বিহারের মতো এরাজ্যেও বিএলওদের সার্ভার ডাউন করে দেওয়া হচ্ছে। এই কয়েকদিনে ডিজিটাইজেশনের কাজ যাতে হয়ে যায়, তা দেখতে হবে। জেলার যুব সভাপতি বলেন, বিজেপি হাজার চেষ্টা করলেও বাংলায় কিছু করতে পারবে না। তবে, আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।
এসআইআরের চাপ সহ্য করতে না পেরে এরাজ্যে অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন। এদিন তা নিয়ে মুখ খোলেন অরূপবাবু। তিনি বলেন, বিএলওদের উপর নির্বাচন কমিশন বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। রাজ্যে প্রায় ৪৫জন এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন। তার মধ্যে বিএলও রয়েছেন। বিজেপি যত নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে এসব করাবে, ততই পিছিয়ে যাবে। এবারের নির্বাচনে ওরা ৫০টি আসনও পাবে না। ভোট এলেই বিজেপি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে কাজে লাগায়। অকারণে চাপ তৈরির চেষ্টা করে। এখন তারা নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়েছে। বাংলার মানুষ ওদের কোনওদিনই ক্ষমতায় আনবে না। মানুষ জানে, বিজেপি এলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে।
এদিন মন্ত্রী খণ্ডঘোষ থেকে ওয়ার রুম পরিদর্শন শুরু করেন। এখানে বিধায়ক অফিসে তিনি যান। ওয়ার রুমে বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ উপস্থিত থাকলেও ব্লক সভাপতি অপার্থিব ইসলাম ছিলেন না। তা নিয়ে দক্ষিণ দামোদরে তৃণমূলের অন্দরমহলে চর্চা শুরু হয়ে যায়। যদিও ব্লক সভাপতি বলেন, পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য কলকাতায় যেতে হয়েছিল। একমাস আগে থেকে পাসপোর্ট অফিস সময় দিয়েছিল। এদিন না গেলে সমস্যা হত। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে ঐক্যের ছবি দেখা গিয়েছে। মন্ত্রীর সঙ্গে সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার এবং সাংসদ শর্মিলা সরকার বিভিন্ন ওয়ার রুমে যান।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ