বেঙ্গালুরু: কর্ণাটকে বিজেপির এক বিধায়কের বিরুদ্ধে জঘন্য অভিযোগ। দলের এক মহিলা সদস্যকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই বিধায়ক ও তাঁর তিন সঙ্গীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, নির্যাতিতার শরীরে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে বিপজ্জনক ভাইরাস ঢুকিয়ে দেওয়া ও তাঁর মুখে প্রস্রাব করার মতো মারাত্মক অভিযোগও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের ১১ জুন ভয়ানক ওই ঘটনা ঘটে। তবে এতদিন ওই অভিযুক্ত বিধায়ক মুনিরত্নর চাপে মুখ বুজে ছিলেন ৪০ বছরের ওই নির্যাতিতা। তবে লাগাতার ব্ল্যাকমেল সহ্য করতে না পেরে অবশেষে পুলিসের দ্বারস্থ হন তিনি।। এই ঘটনায় বেশ কয়েক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে পুলিস।
নির্যাতিতা তাঁর অভিযোগপত্রে দাবি করেছেন, ২০২৩ সালের ১১ জুন তাঁকে মুনিরত্ন নিজের অফিসে ডেকে পাঠান। তাঁকে গাড়ি করে সেখানে নিয়ে যান বিধায়কের এক সহযোগী। অফিসে বিধায়কের সঙ্গে ছিলেন আরও দু’জন। মহিলা সেখানে পৌঁছনোর পর মুনিরত্নের নির্দেশে তাঁকে ওই দু’জন ধর্ষণ করে। মহিলা বাধা দিলে তাঁর ছেলেকে খুনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এমনকী, অসহায় ওই মহিলার মুখে প্রস্রাবও করা হয়। দেওয়া হয় ইঞ্জেকশনও। গোটা ঘটনার কথা কাউকে জানালে নির্যাতিতার পরিবারকে খতম করে দেওয়ার হুমকি দেন অভিযুক্ত বিধায়ক। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে তাঁকে জেলেও পাঠিয়েছিলেন বিধায়ক। পরে সেই মামলা তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাগাতার মহিলার উপর অত্যাচার চালিয়ে যান। গত ১৯ মে তিনি কোন এক ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তখনই জানা যায় যে মহিলার শরীরে প্রাণঘাতী ভাইরাস বাসা বেঁধেছে। তারপরই তিনি পুলিসের দ্বারস্থ হয়ে দু’বছর আগের সেই নির্যাতনের কথা জানান। বিজেপি বিধায়ক মুনিরত্নর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রাণনাশের চেষ্টা সহ অজস্র ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। তবে বিধায়কের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।