Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিএএ ফর্ম পূরণ করাতে পারে বিজেপি, মেদিনীপুরে সতর্কবার্তা তৃণমূলের

এসআইআরকে সামনে রেখে সিএএ’র ফর্ম ফিল আপ করাতে পারে বিজেপি—এমন আশঙ্কা করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে তৃণমূল।

সিএএ ফর্ম পূরণ করাতে পারে বিজেপি, মেদিনীপুরে সতর্কবার্তা তৃণমূলের
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: এসআইআরকে সামনে রেখে সিএএ’র ফর্ম ফিল আপ করাতে পারে বিজেপি—এমন আশঙ্কা করে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে তৃণমূল। বলা হচ্ছে, নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার গাজরের নাম সিএএ। আদতে এটা বিজেপির ফাঁদ। সেই ফাঁদে কেউ পা দেবেন না। বার্তা দিচ্ছেন মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের নেতারা। পাশাপাশি, বৈধ ভোটারদের নাম যাতে বাদ না পড়ে তার জন্য বিএলএ (বুথ লেভেল এজেন্ট)-২’দের  ইতিমধ্যেই ট্রেনিং দেওয়ার কাজও শুরু করেছে ঘাসফুল শিবির। সোমবার মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগর হলে এ নিয়ে বিশেষ বৈঠক হয়। সেখানে জায়ান্ট স্ক্রিনে এজেন্টদের কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকার এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সুজয় হাজরা, পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান সহ জনপ্রতিনিধিরা। তৃণমূলের নেতারা জানিয়েছেন, জেলার প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় হেল্প ডেস্ক হবে। সেখান থেকে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হবে। গোটা প্রক্রিয়াটি অনলাইন ও অফলাইন মাধ্যমে হবে। এনুমেরেশন ফর্ম ফিল আপ করাতে বিএলএ’দের আরও অ্যাকটিভ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, ‘বিজেপি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। কেউই সিএএ ফর্ম ফিল আপ করবেন না। বিজেপির চক্রান্ত মানুষ ধরে ফেলেছে। এক্ষেত্রে বুথ লেভেল এজেন্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’ তৃণমূলের নেতারা জানাচ্ছেন, সাংগঠনিক জেলায় একজন থাকছেন বিএলএ-১। যিনি গোটা বিষয় পর্যবেক্ষণ করবেন। এছাড়া শুধু প্রতিটি বুথেই বিএলএ-২ নিযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভা এলাকার জন্য টাউন ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজার ও ব্লক এলাকার জন্য ব্লক ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজার রাখা হচ্ছে। এই ব্লক ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজারের নিচে পঞ্চায়েত ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজার থাকবে। 

Advertisement

অপরদিকে, টাউন ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজারের নিচে থাকছে ওয়ার্ড ইলেক্টোরাল সুপার ভাইজার। এক তৃণমূল নেতার কথায়, প্রতিটি বিধানসভায় ১৫ জনের বিশেষ দল থাকবে। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় ১০ জনের দল রাখা হচ্ছে। কর্পোরেট ধাঁচে টিম সাজানো হয়েছে। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, ‘সিএএ একটি আইন। এই আইনটি তৃণমূল বিধায়ককে ভালো করে পড়ার জন্য বলব। রাজনীতি করার সঙ্গে পড়াশোনা করারও প্রয়োজন।  আশা করব, উনি মানুষকে ভুল বোঝাবেন না। তৃণমূল এই কারচুপি করেই ভোটে জিতে এসেছে। ওরা ভয় পেতে শুরু করেছে। মানুষ আর ওদের ক্ষমা করবে না। আগামী নির্বাচনে হাতে নাতে ফল পেয়ে যাবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ