নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: রাতারাতি সিপিএমের পাঁচটি পার্টি অফিসে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর অভিযোগ। শুক্রবার মধ্যরাতে দত্তপুকুরের এই ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। এনিয়ে শনিবার সকাল থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। সিপিএম সূত্রে জানা গিয়েছে, দত্তপুকুর এরিয়া কমিটির কার্যালয় সহ মোট পাঁচটি অফিসে হামলা চালানো হয়। রড, হাতুড়ি এবং ভারী অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা এসেছিল বলে অভিযোগ। প্রথমে অফিসের দরজা-জানলা ভাঙা হয়। ভাঙচুর করা হয় ভিতরের আসবাবপত্র। দেওয়ালে থাকা জ্যোতি বসু সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবিও নষ্ট করা হয়েছে। শেষে অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান বলেন, বিজেপির দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। রাতারাতি আমাদের উপর আক্রমণ চালানো হয়েছে। বামেদের একাংশের দাবি, শুক্রবার অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বারাসত ১ বিডিও অফিসে বিক্ষোভ হয়। সেখানে সিপিএমের লোকজনও ছিল। সেই আক্রোশ থেকে এই ঘটনা হতে পারে। তবে বিজেপি অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে বলেন, পার্টি অফিসে হামলার সঙ্গে আমাদের দলের কোনো যোগ নেই। সবটাই ওদের নিজেদের ব্যাপার। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে। হামলার ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে সিপিএম।
অন্যদিকে, শুক্রবার রাতে হাবড়া ১ নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। অভিযোগ, আচমকা বিজেপির কর্মীরা এসে তাতে বাধা দেয়। শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে তুমুল ধ্বস্তাধ্বস্তি। এসএফআইয়ের দাবি, বিজেপির মারে তাদের কর্মীরা জখম হয়েছেন। তবে, বিজেপির তরফে অবশ্য ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। শাসকদলের দাবি, এতে তাদের কর্মীরা যুক্ত নন। এসএফআই বিষয়টি নিয়ে হাবড়া থানায় অভিযোগ জানিয়েছে।