Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বসিরহাটের নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা হতেই বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল আরও বেআব্রু

বসিরহাটের নয়া জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা হতেই বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল আরও বেআব্রু
  • ১৬ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বসিরহাট: শুক্রবারই রাজ্য বিজেপির ২৫টি সাংগঠনিক জেলার নতুন জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা হয়েছে। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির নতুন সভাপতি হয়েছেন সুকল্যাণ বৈদ্য। সভাপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা হতেই ক্ষোভে ফুঁসছে বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের একাংশ। ‘বিজেপি বাঁচাও’ ব্যানার নিয়ে শনিবার বসিরহটের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভও দেখান ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। সব মিলিয়ে আরও বেআব্রু হয়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরের কাজিয়া। সুযোগ বুঝে তৃণমূলের টিপ্পনি,  ‘যে দল নিজেদের লড়াই সামলাতে পারে না, তারা আবার ভোটে লড়বে!’

Advertisement

দলের নিয়ম মেনে বসিরহাটে বুথ ও মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন হলেও জেলা সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। বিক্ষুব্ধদের বক্তব্য, কার্যত জোর করে সভাপতি হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে সুকল্যাণবাবুকে। এক্ষেত্রে রাজ্য নেতৃত্বও জড়িত বলে অভিযোগ তাঁদের। এমনকী, এক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনও একটি কারণ বলে মনে করছেন তাঁরা। বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা দীপক সরকার বলেন, ‘ঘরে বসে নিজেদের পছন্দের লোককে পদে বসিয়েছেন রাজ্যের নেতারা। টাকার বিনিময়ে বসিরহাটে জেলা সভাপতি করা হয়েছে। আগামী দিনে আমরা রাজ্য অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাব।’ বসিরহাটের তৃণমূল বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যে দল নিজেদের লড়াই সামলাতে পারে না, তারা ভোটে লড়বে কীভাবে! পদ নিয়ে এত কাড়াকাড়ি কীসের বুঝি না।’ তাঁর দাবি, যিনি সভাপতি হয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে আর্থিক নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপির নেতারাই। তবে এসব অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই বলে পাল্টা দাবি করেছেন বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির যুব সভাপতি পলাশ সরকার। তিনি বলেন, ‘নবনির্বাচিত জেলা সভাপতি বিরুদ্ধে তৃণমূল চক্রান্ত করে কুৎসা রটাচ্ছে। দলের নির্দেশ ও নেতাকর্মীদের সমর্থনেই জেলা সভাপতি 
নির্বাচন হয়েছে।’

সম্পর্কিত সংবাদ