Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

কুকথায় নষ্ট হচ্ছে ভাবমূর্তি, ভোটের আগে রুচিশীল বাঙালিয়ানায় জোর বিজেপির

আগামী বছর রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। আর বাংলায় ভোটের আগে এবার ‘রুচিশীল বাঙালিয়ানা’য় বিশেষ জোর দিচ্ছে বিজেপি।

কুকথায় নষ্ট হচ্ছে ভাবমূর্তি, ভোটের আগে রুচিশীল বাঙালিয়ানায় জোর বিজেপির
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আগামী বছর রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচন। আর বাংলায় ভোটের আগে এবার ‘রুচিশীল বাঙালিয়ানা’য় বিশেষ জোর দিচ্ছে বিজেপি। সেক্ষেত্রে প্রধানত ‘রুচিসম্পন্ন’ বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষায় তৎপর হচ্ছে গেরুয়া শিবির। নিছক গরম গরম আলটপকা মন্তব্য নয়, বরং প্রকাশ্যে কথা বলার সময় অত্যন্ত সচেতনভাবে জোর দেওয়া হোক শব্দচয়নের ক্ষেত্রে। এখানেই শেষ নয়। সম্ভাব্য দলীয় প্রার্থীদের প্রত্যেকের ভাষা ব্যবহারের উপর নজরদারি করতে চাইছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে খবর, এই মর্মে শীঘ্রই ‘নির্দেশিকা’ যাচ্ছে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কাছে।

Advertisement

সার্বিক বিষয়কেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল। তাদের মতে, ভাষা ব্যবহারে সংযত থাকার বার্তা আগেও দলের রাজ্য নেতৃত্বকে দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু যেভাবে নির্দিষ্ট করে শব্দচয়নের উপর জোর দিয়ে নিজেদের ‘রুচিশীল’ হিসেবে প্রকাশ করার কথা বলা হচ্ছে, তা ইতিপূর্বে হয়নি। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, ভোটমুখী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে সার্বিকভাবেই এহেন ‘দলীয় সংস্কৃতি’ চালু করতে মরিয়া বিজেপির কেন্দ্রীয় পার্টি। দলের অন্দরের ব্যাখ্যা, ‘কুকথা’র রাজনীতিতে বাংলার মানুষ কখনওই সেভাবে স্বচ্ছন্দ নন। এতে সাময়িক হাওয়া গরম করা যায়। কিন্তু এর দীর্ঘস্থায়ী কোনও ইতিবাচক প্রভাব নেই। ফলে শব্দচয়নে এখনই হাল না ধরলে আখেরে তা দলেরই ক্ষতি। চলতি মাসেই রাজ্যে যাওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। বিজেপির কোর কমিটির সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন তিনি। সেখানে এই ব্যাপারে অমিত শাহ ‘ক্লাস’ও নিতে পারেন বলে খবর। তার পরেই কি বদলাবে ছবিটা? আশায় বুক বাঁধছে বিজেপি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ