নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ‘এক কোটিরও বেশি অনুপ্রবেশকারী আর রোহিঙ্গা’ বাদ যাওয়ার তত্ত্ব নস্যাৎ। তাতে বেজায় হতাশ পদ্মপার্টি। তাই নাম বাদ দেওয়ার সাত নম্বর ফর্ম পূরণ করে ‘বিরোধী’ ভোট বাতিলের মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়েছিল। গেরুয়া শিবিরের চাপেই নাম সংযুক্তিকরণ এবং বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন করার সময়সীমা বাড়িয়েও দেয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার ছিল বর্ধিত সময়সীমার শেষদিন। সাত নম্বর ফর্ম ছাপিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হাজার হাজার ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার ছক বাস্তবায়িত করতে এদিন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পদ্মশিবির। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা সত্ত্বেও, বিএলও’দের এড়িয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নথি ছাড়াই ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার চেষ্টা চালান বিজেপি নেতা-কর্মীরা। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধে ভেস্তে গেল সেই ছক। ফর্ম ৭’কে আঁকড়ে ধরেই যে বাঁচার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি, এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের ঘটনায় তা জলের মতো স্পষ্ট। তমলুক বিধানসভার ২৪২ নম্বর বুথের পদিমবসানের কয়েকশো ভোটারের নামে ফর্ম ৭ জমা দিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী অমিত মণ্ডল। ইআরও অফিসে ‘ভেরিফিকেশনের’ সময় জানা যায়, জীবিত লোকজনকে ‘মৃত’ সাজানো হয়েছে ওই তালিকায়। এরপর কমিশনের নির্দেশে বিএলও অভিযোগ দায়ের করেন ওই বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তার করা হয় অমিত মণ্ডলকে। তাঁকে সাতদিনের পুলিশি হেপাজতে পাঠিয়েছে তমলুক আদালত।



