পাটনা: ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই উপ্তপ্ত হচ্ছে পাটুলিপুত্রের রাজনীতি। পরস্পরকে আক্রমণে বিন্দুমাত্র ছাড় দিচ্ছে না, শাসক, বিরোধী উভয় শিবিরই। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের জোড়া ভোটার কার্ড আছে অভিযোগ করে কয়েকদিন আগে রাজ্য রাজনীতিতে হইচই ফেলে দিয়েছিল বিজেপি। সেবার পদ্ম পার্টির হয়ে আসরে নামতে দেখা যায় নির্বাচন কমিশনকেও। নোটিস পাঠানো হয় বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতাকে। এবার পালা তেজস্বীর। রবিবার রীতিমতো বোমা ফাটালেন তিনি। আর তাতে বেজায় অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। এদিন তেজস্বী নিশানা করলেন নীতীশ কুমারের ডেপুটি বিজয়কুমার সিনহাকে। বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর দু’টি ভোটার কার্ড আছে ও তিনি দু’জায়গার ভোটার বলে অভিযোগ করেছেন তেজস্বী।
শুধু দাবি নয়, এনিয়ে রীতিমতো তথ্য পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তেজস্বী। বলেন, লক্ষীসরাই ও বাঁকিপুর– এই দু’টি কেন্দ্রের ভোটার আইডি কার্ড আছে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর। দু’টি কার্ডে তাঁর বয়সও দু’রকম। একটিতে ৫৭ এবং অন্যটিতে ৬০ বছর।
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলতে বাধ্য হয়েছেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ সম্পর্কে তাঁর সাফাই, আগে বাঁকিপুর কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালে তিনি লক্ষীসরাইয়ে ভোটার লিস্টে নাম তোলার আবেদন করেছিলেন এবং সেই অনুযায়ী বাঁকিপুর থেকে নাম কেটে দিতে বলেছিলেন।
সদ্য বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হয়েছে বিহারে। ১ আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে খসড়া তালিকা। তাতে কয়েক লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়ে গিয়েছে। কিন্তু রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর নাম দু’টি কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় রয়ে গেল কীভাবে? এর দায় কার উপ-মুখ্যমন্ত্রীর নাকি নির্বাচন কমিশনের? প্রশ্ন তুলেছেন তেজস্বী।