Bartaman Logo
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

মাসের শুরুতেই বড় ধাক্কা! ফের বাড়াল গ্যাসের দাম

উৎসেবর মরশুম। দুর্গাপুজো হাতে গোনা আর ৪৬ দিন। এই আবহেই ফের দাম বাড়ল বানিজ্যিক সিলিন্ডারের। নতুন মাসের শুরুতেই অগ্নিমূল্য বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার।

মাসের শুরুতেই বড় ধাক্কা! ফের বাড়াল গ্যাসের দাম
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:৩১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎসেবর মরশুম। দুর্গাপুজো হাতে গোনা আর ৪৬ দিন। এই আবহেই ফের দাম বাড়ল বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের। নতুন মাসের শুরুতেই অগ্নিমূল্য বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডার। এবার সিলিন্ডার পিছু ১১টাকা ৫০ পয়সা বাড়াল কেন্দ্র সরকার। তবে সাধারণ পরিবারের ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। 

Advertisement

টানা দু’মাস দাম কমার পর ফের বাণিজ্যিক এলপিজির দর বাড়ল। কলকাতায় আগস্ট মাসে ১৯ কেজির সিলিন্ডারের দাম ছিল ২৮৭২ টাকা ৫০ পয়সা। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ১১টাকা ৫০ পয়সা বৃদ্ধির পর সেই দাম দাঁড়িয়েছে ২৮৮৪ টাকায়। একই ভাবে দিল্লিতে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের নতুন দাম ২৭৪০ টাকা ৫০ পয়সা। চেন্নাইয়ে ২৯১৬ টাকা ৫০ পয়সা। 

বাড়ির হঁসেলে এর প্রভাব না পড়লেও মূলত হোটেল, রেস্তরাঁগুলিতে এই ১৯ কেজির সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় ফলে জ্বালানির দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে খাবারের ব্যবসায়। বিশেষ করে দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে যখন রেস্তরাঁ ও বাইরে খাওয়াদাওয়ার চাহিদা বাড়ে, তখন বাণিজ্যিক গ্যাসের অতিরিক্ত খরচ সাধারণ মানুষের উপর কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলবে। গত কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে বাণিজ্যিক এলপিজির দাম ওঠানামা করতে দেখা গিয়েছে। একসময় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। পরে আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফেরায় এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমানো হয়। গত মাসেই বেশ কিছুটা দাম কমেছিল । তবে মাস ঘুরতেই সেই চিত্রটাই বদলে গেল। প্রতি মাসের প্রথম দিনেই সাধারণত রান্নার গ্যাসের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং অন্যান্য ভূরাজনৈতিক কারণে বাণিজ্যিক এলপিজি দাম ওঠা নামা করে। 

সামনেই দুর্গাপুজো। উৎসব ঘিরে বাজারে কেনাকাটা থেকে শুরু করে বাইরে খাওয়াদাওয়া সব ক্ষেত্রেই বাড়ে মানুষের ব্যস্ততা। সেই সময় বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে হোটেল-রেস্তরাঁ ব্যবসায় অতিরিক্ত খরচ তৈরি হলে তার কতটা গ্রাহকের উপর চাপানো হবে, এখন সেটাই দেখার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ