Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভগবানপুরের একতারপুরে বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও তিরোধান দিবস পালন

মঙ্গলবার ১জুলাই দিনটি জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালিত হয়।

ভগবানপুরের একতারপুরে বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও তিরোধান দিবস পালন
  • ৩ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাঁথি: রাজ্যের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসক ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও তিরোধান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করল ভগবানপুর-২ ব্লকের জুখিয়া পঞ্চায়েতের একতারপুর সারস্বত সঙ্ঘ। মঙ্গলবার ১জুলাই দিনটি জাতীয় চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে একতারপুর সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার ৭০জন দুঃস্থ বাসিন্দার হাতে মশারি তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লেখক চৈতন্যময় নন্দ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্যামলী গিরি, মুগবেড়িয়া গঙ্গাধর কলেজের অধ্যাপক অলকরঞ্জন খাটুয়া সহ বিশিষ্টরা। শুরুতে সঙ্ঘ প্রাঙ্গণে স্থাপিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি ও বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। শিশুশিল্পী শ্রীময়ী মাইতি উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করে। স্বাগত ভাষণ দেন সঙ্ঘের সভাপতি শিক্ষক গৌরচাঁদ পাত্র। উপস্থিত অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বিধানচন্দ্রের জীবনীর নানা দিক তুলে ধরেন। পশ্চিমবঙ্গের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ অবদানের কথা তুলে ধরা হয়। 

Advertisement

চৈতন্যময়বাবু বলেন, বিধানচন্দ্র রায় পশ্চিমবঙ্গে রূপকার ছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তিনি ‘ভারতরত্ন’ উপাধিও পেয়েছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শ্যামাপদ রাণা। শুধু এলাকার মানুষজন নয় এর আগে সকালে সঙ্ঘের পক্ষ থেকে মুগবেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ৩০জন দুঃস্থ রোগীকে মশারি বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের চিকিৎসক রবীন্দ্রনাথ জানা সহ অনেকে। কলকাতার একটি সংস্থা এই মশারি দান করেছে। উল্লেখ্য, একতারপুর সারস্বত সঙ্ঘ ১৯৬৯সালে প্রতিষ্ঠা হয়। তারপর থেকে এলাকায় শিক্ষার আলো জ্বালানো, সেবাকাজ ও সুস্থ সংস্কৃতির প্রসারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে এই সঙ্ঘ। সঙ্ঘের সভাপতি গৌরচাঁদবাবু এবং সম্পাদক স্নেহাশিস মাইতি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা এবং সুস্থ সংস্কৃতির আবহ গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা এগিয়ে চলেছি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ