সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা (সিতাই): বুধবার ভোটের দিনও তালা সিতাইয়ের সিপিএম ও ফরওয়ার্ড ব্লকের কার্যালয়ে। এদিন নিজের বাড়ির সামনে দোকানে বসেই ভোটের খোঁজখবর নিয়েছেন একসময়ে সিতাইয়ের দাপুটে ফব নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ নৃপেন রায়। নৃপেনবাবু সিতাইয়ের ৫৮ নম্বর বুথের ভোটার। সেই বুথেও এদিন এজেন্ট দিতে পারেনি বামেরা। তবে কয়েকটি বুথে বামেদের এজেন্ট বসেছিল। কিন্তু বেলা বাড়তেই তাঁদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় নেতৃত্ব। সিপিএম নেত্রী খুশবু বিবি ৬০ নম্বর বুথে এজেন্ট ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। প্রিসাইডিং অফিসারকে বলার পরও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে তিনি বুথ থেকে বেরিয়ে যান।
Advertisement
এদিন দুপুরে বাড়ির সামনের দোকানে একাই বসেছিলেন প্রাক্তন সাংসদ নৃপেন রায়। ভোটের কথা বলতেই একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সিতাই ব্লকের পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৯টি বুথের মধ্যে আমরা ৬০টি বুথে এজেন্ট বসানোর পরিকল্পনা করেছিলাম। মঙ্গলবার রাতে আমাদের কয়েকজন এজেন্টের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা আমাদের এসে বলছেন, এ ধরনের ভোট করার মানে নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিস পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দলীয় কর্মীদের নিজের এলাকায় থাকতে বলেছি। পার্টি অফিসে সকালে গিয়েছিলাম। আমাদের সারাক্ষণের কর্মীকে বাড়িতে ভোট দিতে পাঠিয়ে আমিও বাড়িতে চলে আসি। সিপিএম নেতারাও বাড়িতে থেকেই ভোটের খোঁজখবর নিয়েছেন। আমরা কর্মীদের বিপদে ফেলতে চাই না। কারণ কর্মীদের মাঠে নামালে রাতে তৃণমূলের পোষা গুন্ডারা তাঁদের বাড়িতে হামলা করবে।
সিপিএমের মহিলা সমিতির কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য খুশবু বিবি বলেন, আমি এজেন্ট ছিলাম। তৃণমূলের লোকজন বুথে ঢুকেই গালাগাল করে। সহ্য করতে না পেরে বের হয়ে আসি। খুশবু বিবির মেয়ে নুরনেহার বিবি ৫৯ নম্বর বুথের এজেন্ট ছিলেন। তাঁকেও বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। নৃপেনবাবু বলেন, চামটা পঞ্চায়েত এলাকার তিন-চারটি বুথে আমাদের এজেন্ট বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। কিন্তু সিংহভাগ বুথে তো ভোট হয়নি, ভোট লুট হয়েছে। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস মানুষ দেখছে। সময়ে এসবের জবাব মিলবে।
যদিও বামেদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে তৃণমূল। দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, সিতাইয়ে বামেদের কোনও সংগঠন নেই। ওদের পার্টি অফিস সারাবছর তালাবন্ধ থাকে। ভোটের দিনেও তালাবন্ধ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সিতাইয়ে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিয়েছে।
-নিজস্ব চিত্র।
সিপিএমের মহিলা সমিতির কোচবিহার জেলা কমিটির সদস্য খুশবু বিবি বলেন, আমি এজেন্ট ছিলাম। তৃণমূলের লোকজন বুথে ঢুকেই গালাগাল করে। সহ্য করতে না পেরে বের হয়ে আসি। খুশবু বিবির মেয়ে নুরনেহার বিবি ৫৯ নম্বর বুথের এজেন্ট ছিলেন। তাঁকেও বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। নৃপেনবাবু বলেন, চামটা পঞ্চায়েত এলাকার তিন-চারটি বুথে আমাদের এজেন্ট বিকেল পর্যন্ত ছিলেন। কিন্তু সিংহভাগ বুথে তো ভোট হয়নি, ভোট লুট হয়েছে। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস মানুষ দেখছে। সময়ে এসবের জবাব মিলবে।
যদিও বামেদের এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে তৃণমূল। দলের জেলা চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, সিতাইয়ে বামেদের কোনও সংগঠন নেই। ওদের পার্টি অফিস সারাবছর তালাবন্ধ থাকে। ভোটের দিনেও তালাবন্ধ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। সিতাইয়ে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভোট দিয়েছে।
-নিজস্ব চিত্র।



