সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: অনেক বছর আগে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। একমাত্র ছেলে বৃদ্ধা মাকে দেখেন না। রাস্তার ধারে খাসজমিতে পলিথিন টাঙিয়ে অর্ধাহার ও অনাহারে দিন কাটছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বসতপুর গ্রামের ৬৪ বছরের মিনা দাসের।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭ বছর আগে মিনার স্বামীর মৃত্যু হয়। দুই মেয়ে ও এক ছেলের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কয়েকমাস ছেলের সংসারে ছিলেন। সে না দেখায় এখন ভিক্ষাবৃত্তি করে খাবার জোগাড় করছেন। গ্রামবাসীরা রাস্তার ধারে টিনের বেড়া ও পলিথিন টাঙিয়ে একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। সেখানে একাই বাস করছেন বৃদ্ধা। হাঁটাচলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন মিনা। দুয়ারে সরকার থেকে শুরু করে ব্লকে একাধিকবার কাগজ জমা করলেও মিনার ভাতার ব্যবস্থা হয়নি। মাঠের শাকপাতা ও পান্তা একমাত্র ভরসা। মিনা বলেন, ভাতার জন্য একাধিকবার আবেদন করলেও পাইনি। একদিন রান্না করা খাবার তিনদিন খাই।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য আভা দাস বলেন, কয়েকবার পঞ্চায়েত প্রধান ও বিডিওকে ভাতার ব্যবস্থা করার জন্য বলেছি। এখনও পর্যন্ত হয়নি। মাঝেমধ্যে চাল, ডাল ও পলিথিন দিয়ে সাহায্য করি। কেন বৃদ্ধার ভাতা চালু হয়নি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর-১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য আভা দাস বলেন, কয়েকবার পঞ্চায়েত প্রধান ও বিডিওকে ভাতার ব্যবস্থা করার জন্য বলেছি। এখনও পর্যন্ত হয়নি। মাঝেমধ্যে চাল, ডাল ও পলিথিন দিয়ে সাহায্য করি। কেন বৃদ্ধার ভাতা চালু হয়নি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর-১ এর বিডিও সৌমেন মণ্ডল।



