নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুরের ভাকুড়ির তালবাগান পাড়ায় মসজিদের পাশে একটি পুকুর বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে মাটি নিয়ে গিয়ে পুকুরের মধ্যে বেশিরভাগ অংশ বুজিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বেশ কয়েকদিন ধরে লাগাতার এই কাজ চলছে। প্রশাসন জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ মানুষ। প্রভাবশালীরা একের পর এক পুকুর বন্ধ করে ফ্ল্যাট তৈরি করছে। গত কয়েক বছরে বহরমপুর শহরেরও বেশ কিছু জলাশয় একইভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হেলদোল নেই পুলিস ও জেলা প্রশাসনের। ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের উদাসীনতার জেরে এখন জলাশয় চোখেই পড়ে না বলে অভিযোগ। তার মধ্যে তালবাগানের মসজিদের পাশের বড় পুকুরটি বন্ধ করে দেওয়ায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট গজিয়ে উঠেছে। এই বড় পুকুর বুজিয়ে ফ্ল্যাট করার পরিকল্পনা আছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারা এই বেআইনি কাজ করছে, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি তুলছেন স্থানীয়রা।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলার জলাভূমি রক্ষা কমিটির অন্যতম সদস্য শিল্পী সেন বলেন, বহরমপুর শহর এবং শহরের পার্শ্ববর্তী বহু জলাশয় বেআইনিভাবে বুজিয়ে ফেলা হয়েছে। আমরা বারবার জেলা প্রশাসনের নজরে আনার চেষ্টা করেছি। তালবাগান পাড়ায় মসজিদের পাশে ওই জলাশয়টি খুবই বড়। সেটির অধিকাংশই বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা ঠিক কাজ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ ক্ষুব্ধ। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দিনের বেলায় কিছু করা হচ্ছে না। শীতের রাতে এলাকা পুরো শুনশান হয়ে যায়। সেই সময় ট্রাক্টর কিংবা অন্য গাড়িতে করে এনে মাটি ফেলে পুকুরটি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে।
বহরমপুর সদরের মহকুমা শাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, পুকুরটি বুঝিয়ে ফেলা হচ্ছে সেটা আমাদের কানে এসেছে। আমরা অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখছি। যারা এটা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বহরমপুর সদরের মহকুমা শাসক শুভঙ্কর রায় বলেন, পুকুরটি বুঝিয়ে ফেলা হচ্ছে সেটা আমাদের কানে এসেছে। আমরা অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখছি। যারা এটা করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



