নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুম্বইয়ের একটি মন্দির থেকে রুপোর সন্তোষীমাতার মূর্তি চুরি করে বহরমপুরে এনে লুকিয়ে রেখেছিল এক পরিযায়ী শ্রমিক। ওই মূর্তিটির দাম প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। এই ঘটনায় ওই পরিযায়ী শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে বহরমপুর থানার পুলিস। ধৃতের নাম মহাদেব হালদার। তার বাড়ি বহরমপুরের পর্বতপুর চাঁইপাড়া এলাকায়। ধৃতের বাড়ি থেকেই প্রায় ১১ কেজি ওজনের ওই মূর্তিটি উদ্ধার হয়েছে। ধৃতকে শুক্রবার বহরমপুর জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। মূর্তিটি বাংলাদেশ হয়ে বিদেশে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিস।
Advertisement
বহরমপুর থানার আইসি উদয়শঙ্কর ঘোষ বলেন, মুম্বই থেকে এই মূর্তিটি চুরি করে বহরমপুরে আনা হয়েছিল। খবর পেয়ে পর্বতপুর চাঁইপাড়ায় হানা দিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, মহাদেব রাজমিস্ত্রির কাজ করে। কাজের সূত্রেই সে মুম্বই গিয়েছিল। সেখান থেকে ১১কেজি ওজনের ‘সন্তোষীমাতার মূর্তি চুরি করে মুর্শিদাবাদ চলে আসে। মূর্তিটি সে বিক্রির চেষ্টা করছিল। এমনকী, সেটি বাংলাদেশ হয়ে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল বলেও খবর পেয়েছে পুলিস। এ ব্যাপারে মুম্বই পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেখানকার একটি মন্দির থেকে এই মূর্তি চুরি করা হয়েছে বলেই পুলিসি জেরায় জানিয়েছে অভিযুক্ত।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, মহাদেব রাজমিস্ত্রির কাজ করে। কাজের সূত্রেই সে মুম্বই গিয়েছিল। সেখান থেকে ১১কেজি ওজনের ‘সন্তোষীমাতার মূর্তি চুরি করে মুর্শিদাবাদ চলে আসে। মূর্তিটি সে বিক্রির চেষ্টা করছিল। এমনকী, সেটি বাংলাদেশ হয়ে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করছিল বলেও খবর পেয়েছে পুলিস। এ ব্যাপারে মুম্বই পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেখানকার একটি মন্দির থেকে এই মূর্তি চুরি করা হয়েছে বলেই পুলিসি জেরায় জানিয়েছে অভিযুক্ত।



