নিজস্ব প্রতিনিধি, নন্দীগ্রাম: তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোট মিটতেই উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। বুকে ভোজালির কোপ মেরে তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রবিবার রাত ১০টা নাগাদ কালীচরণপুর পঞ্চায়েতের সাতখণ্ড জালপাই গ্রামে তৃণমূলের বুথ সভাপতি গুরুপদ মণ্ডলের বাড়িতে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। তাঁর ডান হাতে ভোজালির কোপ মারে। দাদাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন বুথ সভাপতির ভাই বিষ্ণুপদ মণ্ডল(৩৫)। তাঁর বুকে ভোজালির কোপ মারা হয়। রাত দেড়টা নাগাদ তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিষ্ণুপদের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার উপর গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করা হয়। অনেক জায়গায় আবার রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে তৃণমূল কর্মীরা অবরোধে শামিল হন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে গড়চক্রবেড়িয়ায় মিছিল করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। আজ,মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে আসবেন। তার আগে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পুলিস প্রশাসন। এই ঘটনায় পুলিস সাতখণ্ড জালপাই গ্রামের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা মামণি মণ্ডলের স্বামী প্রশান্ত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
রবিবার তমলুক কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার ব্যাঙ্কের ভোটে গোহারা হেরেছে বিজেপি। ওই ভোট ঘিরে নন্দীগ্রাম-১ব্লকে কাঞ্চননগর দিদারুদ্দিন বিদ্যাভবনে অশান্তি হয়। ওই ঘটনার সঙ্গে গুরুপদ কিংবা তাঁর ভাই বিষ্ণুপদর কোনও যোগ নেই। তাঁরা ওই ব্যাঙ্কের ভোটারও নন। ওইদিন কাঞ্চননগরেও যাননি। তবুও রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই গুরুপদর বাড়ির সামনে জটলা করেছিল বিজেপির লোকজন। গুরুপদ ও বিষ্ণুপদ টালির চালা দেওয়া একই মাটির বাড়িতে থাকেন। বাড়ির সামনে রাস্তার ধারে গুরুপদর একটি ছোট চায়ের দোকান রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় বিজেপির ছ’-সাতজন কর্মী ওই দোকানের সামনে জড়ো হয়। সব জায়গায় বিজেপি হেরে ভূত হলেও নন্দীগ্রামে জয় পেয়েছে। সেই খুশিতে তৃণমূলের বুথ সভাপতিকে টার্গেট করে গালিগালাজ করে। রাত ১০টা নাগাদ ওই দুষ্কৃতীরা সশস্ত্র অবস্থায় গুরুপদ ও বিষ্ণুপদর উপর হামলা চালায়। সঙ্কটজনক অবস্থায় বিষ্ণুপদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি।
এদিন বিকেলে রাজ্য তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন। মরদেহে শেষশ্রদ্ধা জানানোর পর দেহ নন্দীগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। নন্দীগ্রাম-১ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন,গেরুয়া পার্টির এক প্রভাবশালী নেতা খেজুরি, নন্দীগ্রামের মস্তান বাহিনী এনে সমবায় ভোটে গণ্ডগোল করেছেন। তারপর রাতে বিজেপির দুষ্কৃতীরা আমাদের এক কর্মীকে খুন করেছে। আমাদের দাবি, খুনের ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে সকল মদতদাতাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, খুনের ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। এই ঘটনায় যারা জড়িত পুলিস তাদের গ্রেপ্তার করুক।
প্রসঙ্গত,এই প্রথম নয়,লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পরও আক্রান্ত হয়েছিল তৃণমূলের বুথ সভাপতি গুরুপদ মণ্ডলের পরিবার। বাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। বাড়ির মহিলারাও বাদ যাননি। ওই ঘটনায় ২৩জন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর হয়েছিল। ছ’মাসের ব্যবধানে ফের ওই তৃণমূল নেতার পরিবার আক্রান্ত। গুরুপদবাবু বলেন, এই গ্রামের বেশিরভাগ পরিবার বিজেপি করে। হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার তৃণমূল সমর্থক। তার উপর আমি এখানকার বুথ সভাপতি। সেজন্য আমার পরিবারকে টার্গেট করে বিজেপি।
এদিন বিকেলে রাজ্য তৃণমূলের সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার তমলুক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন। মরদেহে শেষশ্রদ্ধা জানানোর পর দেহ নন্দীগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। নন্দীগ্রাম-১ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন,গেরুয়া পার্টির এক প্রভাবশালী নেতা খেজুরি, নন্দীগ্রামের মস্তান বাহিনী এনে সমবায় ভোটে গণ্ডগোল করেছেন। তারপর রাতে বিজেপির দুষ্কৃতীরা আমাদের এক কর্মীকে খুন করেছে। আমাদের দাবি, খুনের ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে সকল মদতদাতাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, খুনের ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। এই ঘটনায় যারা জড়িত পুলিস তাদের গ্রেপ্তার করুক।
প্রসঙ্গত,এই প্রথম নয়,লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পরও আক্রান্ত হয়েছিল তৃণমূলের বুথ সভাপতি গুরুপদ মণ্ডলের পরিবার। বাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। বাড়ির মহিলারাও বাদ যাননি। ওই ঘটনায় ২৩জন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর হয়েছিল। ছ’মাসের ব্যবধানে ফের ওই তৃণমূল নেতার পরিবার আক্রান্ত। গুরুপদবাবু বলেন, এই গ্রামের বেশিরভাগ পরিবার বিজেপি করে। হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার তৃণমূল সমর্থক। তার উপর আমি এখানকার বুথ সভাপতি। সেজন্য আমার পরিবারকে টার্গেট করে বিজেপি।



