সংবাদদাতা, ডোমকল: ইসলামপুরে ভৈরব সেতু থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যেই নদের জমি দখলের অভিযোগ। একবারে প্রকাশ্যে চলছে নদের ধারের জমি দখল করে বাঁশের বেড়া দেওয়া। অভিযোগ, স্থানীয় বাহুবলীদের মদতেই চলছে ওই অবৈধ কর্মকাণ্ড। সকলের চোখের সামনে অবৈধ ওই কারবার চললেও স্থানীয়রা ভয়ে কেউ মুখ খুলছেন না। তবে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
Advertisement
অভিযোগ, ইসলামপুরে ভৈরব সেতুর ডানপাশে ৩০০ মিটারের মধ্যেই বৈদ্যপাড়ায় চলছে ওই অবৈধ কর্মকাণ্ড। বৈদ্যপাড়ায় পার্কের পাশেই অনেকটা জায়গা ইতিমধ্যেই দখল হয়ে গিয়েছে। কিছু অংশে এখনও চলছে দখলদারি। বর্ষার মরশুমে ওইসব অংশ জলে ডুবে গিয়েছিল। তবে শীতের মরশুমে নদের দু’পারে জায়গার জমি আবার জেগে উঠেছে। সেখানেই বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা হচ্ছে। কিছু জায়গায় ওই বেড়া একেবারে নদবক্ষে গিয়ে ঠেকেছে। অভিযোগ, স্থানীয় বাহুবলীদের মদতেই চলছে ওই কর্মকাণ্ড। চোখের সামনে অবৈধ ওই কর্মকাণ্ড চললেও দুষ্কৃতীদের দাপটে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন অনেকেই।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ পরিবেশকর্মীরা বলেন, কীভাবে নদের ধারের জমি দখল হচ্ছে? একসময় দেখা যাবে পুরো নদ দখল হয়ে গিয়েছে। এটা হতে পারে না। তাঁদের দাবি, বেশিরভাগ সময়েই এইসব জমি খাস জমির আওতায় পড়ে। তাহলে খাস জমি দখল করা হলেও নীরব প্রশাসন এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। ভৈরব নদ বাঁচাও কমিটির আহ্বায়ক ধীমান দাস বলেন, নদ-নদীকে তাঁদের মতো করে বইতে দেওয়া উচিত। এভাবে কখনই নদের জায়গা দখল করা যায় না। এটা পুরোপুরি বেআইনি। কিছুদিন আগে একটি এলাকায় ভৈরব নদের মাঝ দিয়ে ঢালাই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দিনের পর দিন ধরে এভাবে নদ-নদীর উপর অত্যাচার চললেও প্রশাসন নীরব? স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, কী বলব দাদা, সবই তো আমার আপনার চোখের সামনে ঘটছে। মুখ খুললে আর এলাকায় থাকতে পারব? সবকিছু দেখেশুনেও তাই চুপ থাকতে হচ্ছে আমাদের।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ পরিবেশকর্মীরা বলেন, কীভাবে নদের ধারের জমি দখল হচ্ছে? একসময় দেখা যাবে পুরো নদ দখল হয়ে গিয়েছে। এটা হতে পারে না। তাঁদের দাবি, বেশিরভাগ সময়েই এইসব জমি খাস জমির আওতায় পড়ে। তাহলে খাস জমি দখল করা হলেও নীরব প্রশাসন এবং ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। ভৈরব নদ বাঁচাও কমিটির আহ্বায়ক ধীমান দাস বলেন, নদ-নদীকে তাঁদের মতো করে বইতে দেওয়া উচিত। এভাবে কখনই নদের জায়গা দখল করা যায় না। এটা পুরোপুরি বেআইনি। কিছুদিন আগে একটি এলাকায় ভৈরব নদের মাঝ দিয়ে ঢালাই রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। দিনের পর দিন ধরে এভাবে নদ-নদীর উপর অত্যাচার চললেও প্রশাসন নীরব? স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, কী বলব দাদা, সবই তো আমার আপনার চোখের সামনে ঘটছে। মুখ খুললে আর এলাকায় থাকতে পারব? সবকিছু দেখেশুনেও তাই চুপ থাকতে হচ্ছে আমাদের।



