সংবাদদাতা, বাগডোগরা: ডুয়ার্সের মতো তরাই অঞ্চলে হাতি-মানুষ সংঘাত বেড়েছে। ঘটছে একাধিক দুর্ঘটনা। প্রাণহানিও। তাই হাতি-মানুষের সহাবস্থান ও সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যেগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেজন্য এক মেলার আয়োজন করা হয়েছে বাগডোগরায়। নাম দেওয়া হয়েছে হাতি-বন্ধু। ১৩ ডিসেম্বর কার্শিয়াং ডিভিশনের বাগডোগরা বনদপ্তরের রেঞ্জ অফিসে এই মেলা হবে। নাম মেলা হলেও এর উদ্দেশ্য হাতি-মানুষ সংঘাত রোখা। তিনদিনব্যাপী এই মেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানও থাকছে।
Advertisement
শনিবার কার্শিয়াং বনবিভাগের ডিএফও দেবেশ পান্ডে বলেন, মেলায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে বনদপ্তরের সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন। কৃষকদের ফসল যাতে হাতি নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য কী কী করণীয় তা বোঝানো হবে চাষিদের। হাতির লোকালয়ে প্রবেশ করলে কীভাবে সংঘাত এড়ানো যাবে, সেই সব বিষয়ে আলোচনা করা হবে। বনদপ্তর এই সংঘাত রুখতে কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটা সম্পর্কেও সাধারণ মানুষকে জানানো হবে।
এই মেলায় কৃষকদের ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে একাধিক স্টল রাখা হচ্ছে। শিশুদের মনোরঞ্জন ও বিনোদনের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। কৃষকরা সরকারি ক্রয়মূল্যে এই মেলায় ধান বিক্রি করতে পারবেন।
হাতির কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবার কৃষকদের ফসল কম নষ্ট হয়েছে। বিষ্ণু তামাং নামের এক কৃষকের কাহিনী নিয়েও বনকর্তারা জানান, প্রথমে ওই কৃষক ধান চাষ করতেন। এবার তিনি মধু চাষ করে বেশ ভালো সাফল্য পেয়েছেন। তাদের মতো কৃষকদের চাষের পদ্ধতিও মেলায় তুলে ধরা হবে।
এই মেলায় কৃষকদের ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে একাধিক স্টল রাখা হচ্ছে। শিশুদের মনোরঞ্জন ও বিনোদনের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। কৃষকরা সরকারি ক্রয়মূল্যে এই মেলায় ধান বিক্রি করতে পারবেন।
হাতির কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবার কৃষকদের ফসল কম নষ্ট হয়েছে। বিষ্ণু তামাং নামের এক কৃষকের কাহিনী নিয়েও বনকর্তারা জানান, প্রথমে ওই কৃষক ধান চাষ করতেন। এবার তিনি মধু চাষ করে বেশ ভালো সাফল্য পেয়েছেন। তাদের মতো কৃষকদের চাষের পদ্ধতিও মেলায় তুলে ধরা হবে।



