নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর আগেই বেশকিছু পণ্যে জিএসটির হার কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে উপকৃত হবে এরাজ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিল্পমহল। পাশাপাশি পাট বা চায়ের মতো বাংলার নিজস্ব কিছু পণ্যের দাম ১১ শতাংশ পর্যন্ত কমবে বলে দাবি করল কেন্দ্র।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর আগেই বেশকিছু পণ্যে জিএসটির হার কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে উপকৃত হবে এরাজ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিল্পমহল। পাশাপাশি পাট বা চায়ের মতো বাংলার নিজস্ব কিছু পণ্যের দাম ১১ শতাংশ পর্যন্ত কমবে বলে দাবি করল কেন্দ্র।
যেসব পণ্যে জিএসটির ভার লাঘব হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে চর্মজাত পণ্য। কেন্দ্রের দাবি, এরাজ্যে পাঁচ লক্ষ মানুষ চর্মজাত সামগ্রী উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। যেহেতু এক্ষেত্রে জিএসটির হার ১২ থেকে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে, তাই পণ্যের চাহিদা বাড়লে তাঁরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি যেসব পোশাকের দাম আড়াই হাজার টাকা বা তার নীচে, সেক্ষেত্রেও লাঘব করা হয়েছে জিএসটির হার। বাংলায় হোসিয়ারি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষ, জিএসটি কাউন্সিলের এই সিদ্ধান্তে তাঁদের কাজের বহর বাড়বে। পাশাপাশি বাঁকুড়ায় টেরাকোটা শিল্পের সেঙ্গ যুক্ত রয়েছেন, যে আড়াই হাজার শিল্পী, তাঁরাও কাজের বাজার বাড়াতে সক্ষম হবেন বলে দাবি করেছে কেন্দ্র। কারণ, এক্ষেত্রেও জিএসটির হার ১২ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে। একইভাবে মালদহের আম বা দার্জিলিং চায়ের মতো জিয়োগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই প্রাপ্ত পণ্যও জিএসটির হার কমার দরুন বাজার বাড়াতে সক্ষম হবে।
পণ্যের দাম কমার ক্ষেত্রেও আশাবাদী কেন্দ্রীয় সরকার। উদাহরণ দিয়ে তারা জানিয়েছে, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ বা নদীয়ার মতো জেলাগুলিতে নকশিকাঁথা অত্যন্ত পরিচিত শিল্প। শাড়ি, শাল বা অন্যান্য পণ্যের উপর এই কাঁথার কারুকজের চাহিদা তুঙ্গে। এক্ষেত্রে জিএসটির হার ১২ থেকে ৫ শতাংশে নেমে যাওয়ায়, দাম গড়ে ৬.২৫ শতাংশ কমতে পারে, দাবি করেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি পাটজাত পণ্যের দামও একই কারণে ৬.২৫ শতাংশ কমতে পারে, মনে করছে তারা। একইভাবে চায়ের দাম গড়ে ১১ শতাংশ নামতে পারে, দাবি করেছে তারা।