নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ঝকঝকে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত প্রধানের আত্মীয়, সংঘনেত্রীর স্বামী বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৬০ হাজার টাকা পেলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি ও তাঁর স্ত্রী দু’জনেই বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পাওয়ার জন্য গ্রিভান্স সেলে আবেদন জমা করার পর নতুন বাড়ি পাওয়ার যোগ্য কি না বিডিও অফিস থেকে এনকোয়ারি হল। পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও ফের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা আসার ঘটনায় অনেকেই উৎসাহিত হয়ে গ্রিভান্স সেলে আবদার করছেন। গোটা ঘটনায় নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের মহম্মদপুরে হইচই পড়ে গিয়েছে। বিডিও নাজিরুদ্দিন সরকার বলেন, বাড়ি পাওয়ার উপযুক্ত নন, এমন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা গেলে আমরা ব্যাঙ্কে চিঠি দিয়ে টাকা আটকে দেব। মহম্মদপুরের ঘটনায় আমরা তদন্ত করছি। প্রয়োজনে টাকা আটকে দেওয়া হবে।
নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের মহম্মদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ হাবিবুলের বাড়ি মহম্মদপুর ৬৩ নম্বর বুথে। ওই বুথেই হাবিবুলের ভগ্নিপতি শেখ হেসামুদ্দিনের বাড়ি। ২০১৭-’১৮ আর্থিক বছরে হেসামুদ্দিন ইন্দিরা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছিল। সেই টাকায় বাড়িও বানিয়েছিল। তারপর এবার বাংলার বাড়ি উপভোক্তা তালিকায় তাঁর নাম দেখে বিডিও অফিসে অভিযোগ জানান স্থানীয় সিপিএম নেতা গোলাপ মোতার্জা। ২০২৫ সালে সুপার চেকিং চলাকালীন ওই বুথে ১২ জনের নাম বাদ যায়। হেসামুদ্দিনের নামও বাদ পড়ে। অদ্ভুতভাবে বাদ যাওয়া ১২ জনের মধ্যে হেসামুদ্দিনের নাম ফের বাংলার বাড়ি পিডব্লুএল (পার্মানেন্ট ওয়েটিং লিস্টে) তালিকায় এন্ট্রি হয়। সম্প্রতি তার অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে। একবার ইন্দিরা আবাস যোজনায় টাকা পাওয়ার পর এবং পাকাবাড়ি বানানোর পরও তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে।



