নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: অত্যাচার কমার লক্ষণ নেই, উল্টে দিনদিন বেড়েই চলেছে। বাংলায় কথা বলায় বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তা ও নির্যাতনের একাধিক ঘটনা ফের সামনে এসেছে। কোচবিহারের শীতলকুচির বাসিন্দা পরিযায়ী শ্রমিক হালাল মিয়াঁকে সেখানকার পুলিস আটক করেছে বলে বুধবার অভিযোগ করেন কোচবিহারে প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, হালাল মিয়াঁর সমস্ত নথিপত্র জেলা পুলিসের পক্ষ থেকে ভেরিফাই করে পাঠানো হয়েছে। তবুও গুরুগ্রামের পুলিস হালালকে ছাড়তে গড়িমসি করছে।
বড় গদাইখোড়া গ্রামের হালাল আটক হওয়ার চারদিন পরেও ছাড়িয়ে আনা সম্ভব হয়নি। পরিবারের দাবি, গত ১৯ জুলাই অটো সহ গুরুগ্রামের সেক্টর ৪৭ থেকে তাঁকে নিয়ে যায় পুলিস। হালালের ভাই জালাল মিয়াঁ বলেন, আমাদের পাঠানো নথিপত্র নিয়ে ভাইয়ের স্ত্রী পুলিসের কাছে গেলে তাঁকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এদিকে, বাংলাভাষী হওয়ায় দক্ষিণ দিনাজপুরের সাত শ্রমিক আটক পুলিসের হাতে। হরিরামপুর শিড়শি গ্রামের আটক শ্রমিক নাজিবুর রহমানের পরিবার জানিয়েছে, স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে গুরুগ্রামে অটো চালাতেন তিনি। ১৮ জুলাই পুলিস বাকি শ্রমিকদের সঙ্গে তাঁকেও আটক করে। পরিচয়পত্র রাজ্য থেকে ভেরিফিকেশন হওয়ার পর পাঁচদিনের মাথায় মঙ্গলবার রাতে শ্রমিককে ছেড়ে দেয় পুলিস।
তবে, হরিরামপুরের সৈয়দপুর, গোকর্ণ ও বৈরাঠা গ্রামের ছয় শ্রমিক আটক রয়েছেন হরিয়ানার বিভিন্ন থানায়। জেলা প্রশাসন শ্রমিকদের পরিচয়পত্র ভেরিফিকেশন করে তার রিপোর্ট রাজ্যে পাঠিয়েছে।