পড়াশোনার থেকেও ছবি আঁকতে বেশি ভালোবাসে ইনোচি। টাইম মেশিনে চেপে সময়কাল পৌঁছেছে ২০৩৬-এ। প্রযুক্তির উপর দাঁড়িয়ে গোটা বিশ্ব। ইনোচি বাস্তব থেকে সরে গিয়ে বিশ্বাস করে জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ এআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কথোপকথনে সামিল হয় সে। বাস্তব-ভার্চুয়ালের জাঁতাকলে পড়ে সমস্যায় জড়ায় ইনোচি। মনোবিদের নির্দেশে ডিজিটাল দুনিয়া থেকে নির্বাসনই তার একমাত্র মুক্তির পথ। তারপর কীভাবে মুক্ত হল ইনোচি? তার জবাব খুঁজেছে গোবরডাঙ্গা রূপান্তরের প্রযোজনা ‘ইনোচি’'।
নাটকের প্রধান চরিত্র ইনোচি (নবীন দাস)। নবীন চরিত্রকে তুলে ধরতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। তবুও কোথাও একটা অসম্পূর্ণতা ধরা পড়েছে। চরিত্রের সঙ্গে অভিনেতার একটা ফাঁক রয়ে গিয়েছে। ভবতোষের চরিত্রে মনোদীপ সরকার বেশ ভালো। দর্শকদের নজর কেড়েছে শিশুশিল্পী অরিঞ্জয় দাঁয়ের সাবলীল অভিনয়। পরিচালক শুভ বিশ্বাস কচিকাঁচা যেসব কুশীলবদের নিয়ে এই নাটক পরিচালনা করেছেন, তাদের সকলেরই এটিই প্রথম প্রযোজনা। তাই ভুলভ্রান্তি থাকলেও পরিমার্জন হবে আগামীতে। নাটকে বেশ কিছু কম্পোজিশন তৈরি করা হয়েছে, যেগুলি মূহুর্তকে আরও আকর্ষণীয় করেছে। আলোয় ধনপতি মন্ডল, মঞ্চে স্বরূপ দেবনাথ ও আবহে চন্দন দেবনাথ ভালো কাজ করেছেন।
তাপস কাঁড়ার