নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলা কোনও ভাষা নয়। বিজেপির এই মন্তব্যের প্রতিবাদে আজ বুধবার সংসদে প্রতিবাদের ঝড় তুলবে তৃণমূল। সকালে সংসদ চত্বরে মকর দ্বারের সামনে হবে বিক্ষোভ। প্রশ্ন তোলা হবে, তবে কি বিজেপি ভারতের জাতীয় সঙ্গীতকেও অপমান করছে? ভুলে গেলে চলবে না, জাতীয় সঙ্গীতকে অপমান মানে দেশদ্রোহিতা।
প্রতিবাদের রূপরেখা তৈরিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লোকসভায় তৃণমূলের নতুন দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন নতুন মুখ্যসচেতক কাকলি ঘোষদস্তিদার। নতুন দায়িত্ব পেয়েই সক্রিয় কাকলিদেবী। তিনি বলেন, অমিত মালব্য যেভাবে বাংলা ভাষাকে অপমান করেছেন, তা মেনে নেওয়া যায় না। বাংলাকে বাংলাদেশি ভাষা বলেছেন। তাহলে তাঁর দলের বাংলার সাংসদরা কি বিদেশি ভাষায় কথা বলেন? তারা কি রোহিঙ্গা? মালব্য তথা বিজেপি কি এবার থেকে জনগণমন গাইবে না? জবাব দিতে হবে।
বুধবারের প্রতিবাদ কর্মসূচি প্রস্তুতির কারণে অনেকেই মঙ্গলবার দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিয়ের রিসেপশন পার্টিতে যেতে পারেননি। নয়াদিল্লির তারকাখচিত হোটেল ললিতে ওই পার্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহ সহ বিজেপির অনেককেই ব্যক্তিগত নিমন্ত্রণ করেছিলেন মহুয়া। তালিকায় ছিল বঙ্গ বিজেপিরও অনেক সাংসদ। তবে অনেকেই যাননি। অন্যদিকে, এদিন সংসদে মালা রায়ের লিখিত প্রশ্ন ছিল, কোন সরকারি পরিচয়পত্র নাগরিকত্বের প্রমাণ? জবাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় কুমার স্পষ্ট উত্তর দেননি। জীবন বিমার ওপর জিএসটি মকুব নিয়ে সরকারের অবস্থান লিখিতভাবে জানতে চান দীপক অধিকারী (দেব)। জবাবে অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে জিএসটি কাউন্সিলের কাছে প্রস্তাব জমা পড়েছে। তবে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।