


ওয়াশিংটন: ইরানে জাহাজে করে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম পাঠাচ্ছিল চীন? সম্প্রতি আমেরিকার এই দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য আন্তর্জাতিক মহলে। শান্তি বৈঠক নিয়ে দু’দেশের দোলাচল জারি রয়েছে। এই আবহে সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে ইরানের একটি জাহাজ আটক করেছে আমেরিকার নৌবাহিনী। রিপাবলিকান নেত্রী নিকি হ্যালির দাবি, চীন থেকে আসা ওই জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির রাসায়নিক ছিল। রাষ্ট্রসংঘে আমেরিকার প্রাক্তন দূত নিকি সোস্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানকে চীনের সাহায্যের বিষয়টি অস্বীকার করার উপায় নেই। চীন যে ইরানের শাসনব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে, তা এখন জলের মতো পরিষ্কার।’
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছিলেন, ‘তৌসকা নামের ইরানের পতাকা লাগানো একটি ৯০০ ফুট লম্বা জাহাজ আটক করা হয়েছে। বেআইনি কাজকর্মে যুক্ত থাকার রেকর্ড রয়েছে জাহাজটির।’ জানা গিয়েছে, ওই জাহাজ ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান শিপিং লাইন্সের। এই সংস্থার উপর আগেভাগেই আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ছিল। রবিবার জাহাজটিকে চবাহার বন্দরে মার্কিন বাহিনী আটক করে। এ প্রসঙ্গে পালটা দিয়েছে ইরানও। তাদের বক্তব্য, মার্কিন বাহিনীর এই পদক্ষেপ সশস্ত্র জলদস্যুদের মতো। তেহরান জানিয়েছে, হরমুজে আরোপিত মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা ইসলরামাবাদে আমেরিকার সঙ্গে দ্বিতীয়বার বৈঠকে যোগ দেবে না। ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, জাহাজ আটকে আমেরিকা যে আগ্রাসন দেখিয়েছে, তার জবাব দিতে প্রস্তুত ছিল তারা। কিন্তু জাহাজে থাকা নাবিক ও তাঁদের পরিবারের কথা মাথায় রেখে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ করছে না ইরান। উল্লেখ্য, চীনের বিরুদ্ধে এর আগেও যুদ্ধে ইরানকে সাহায্য করার অভিযোগ করেছিল আমেরিকা। তবে সেই দাবি খারিজ করে বেজিং।