নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: সাধারণত যে কোনও প্রতিষ্ঠানের ৮০বছর পূর্তিতে ‘ওক জুবিলি’ উদ্যাপিত হয়। কারণ ওক গাছ প্রাচীনত্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। তবে অরণ্য অধ্যুষিত ঝাড়গ্রামে বটগাছই পরম্পরা ও সমৃদ্ধির প্রতীক। তাই এশহরের ননীবালা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০বছর পূর্তিতে ‘বেনিয়ান জুবিলি’ উপলক্ষ্যে বছরভর নানা অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। গত বৃহস্পতিবার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বটবৃক্ষ রোপণের মধ্য দিয়ে এই বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।স্বাধীনতার আগে প্রত্যন্ত ঝাড়গ্রামে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিছু শিক্ষানুরাগী মানুষ সেসময় শহরের উত্তরে বাছুরডোবা এলাকায় ননীবালা প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠালগ্নে স্থাপিত ছোট্ট স্কুল এখন মহীরুহে পরিণত হয়েছে। করোনা সঙ্কটের সময় স্কুলের প্ল্যাটিনাম জুবিলি পালন করা সম্ভব হয়নি। তাই ৮০বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সারাবছর নানা অনুষ্ঠান হবে। এই বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি অবধি ১৭৩জন পড়ুয়া রয়েছে। আটজন শিক্ষক-শিক্ষিকা আছেন। বিদ্যালয় স্থাপনের সময় জমিদান করেছিলেন ঝাড়গ্রামের রাজা নরসিংহ মল্লদেব। শিক্ষানুরাগী নিলীমা কুণ্ডু তাঁর শাশুড়ি ননীবালা কুণ্ডুর নামে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ‘বেনিয়ান জুবিলি’ উপলক্ষ্যে স্কুলের পড়ুয়াদের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পাশাপাশি স্মার্ট ক্লাসরুম, লাইব্রেরি ও স্কুলের সীমানাপ্রাচীর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুলের সমস্ত প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। স্কুলে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পাশে দাঁড়ানোর আবেদন করা হচ্ছে।



