সংবাদদাতা, কাঁথি: বড়দিনের আগেই সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হবে দীঘার সৈকত। ৬৫টি সিসি ক্যামেরা বাজার, বিভিন্ন রাস্তা, পার্ক ও সৈকত সরণিতে লাগানো হচ্ছে। ওয়াচ টাওয়ারের মাথায় সিসি ক্যামেরা বসবে।
Advertisement
ডিসেম্বর ও জানুয়ারি পর্যটনের মরশুম। দীঘায় পর্যটকদের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি নতুন নয়। চারবছর আগেই সৈকতে ৫০টির বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। কিন্তু ২০২০সালে ‘উমপুন’ ও পরের বছর ‘যশ’ ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে দীঘায় বেশিরভাগ সিসি ক্যামেরাই নষ্ট হয়ে যায়। যে এজেন্সি সিসি ক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল, তারা ঠিকমতো কাজ করেনি বলে অভিযোগ। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থা(ডিএসডিএ) ওই এজেন্সিকে বিকল সিসি ক্যামেরা মেরামতের বরাত দিয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও তারা কাজে হাতই দিতে পারেনি। এরপর ওই এজেন্সিকে বাদ দিয়ে সম্প্রতি নতুন এজেন্সি নিয়োগ করা হয়। তারা কাজ শুরু করে দিয়েছে।
উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। তাই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।
দীঘা ও দীঘা কোস্টাল থানার পাশাপাশি পুলিস সুপারের অফিস থেকেও ওই সমস্ত সিসি ক্যামেরার মনিটরিং করা যাবে। অফিসে বসেই দুই থানার আধিকারিকরা এবং পুলিস সুপার শহরের উপর নজরদারি চালাতে পারবেন। কোনও সমস্যা হলে বা কোনও ঘটনার ছবি ধরা পড়লে পুলিস তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ করতে পারবে।
উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হচ্ছে। তাই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।
দীঘা ও দীঘা কোস্টাল থানার পাশাপাশি পুলিস সুপারের অফিস থেকেও ওই সমস্ত সিসি ক্যামেরার মনিটরিং করা যাবে। অফিসে বসেই দুই থানার আধিকারিকরা এবং পুলিস সুপার শহরের উপর নজরদারি চালাতে পারবেন। কোনও সমস্যা হলে বা কোনও ঘটনার ছবি ধরা পড়লে পুলিস তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ করতে পারবে।



