সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: স্ত্রী আট বছর আগে ছেড়ে চলে গিয়েছে। বাড়িতে ১১ বছরের মেয়েকে নিয়ে থাকতেন বাবা। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার হল সেই বাবা ও মেয়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি ব্লকের ড্যাংখালি এলাকার বেলতলি গ্রামে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম বাদল রায় (৩৪) এবং মেয়ের নাম খেয়া রায়। নাবালিকা খট্টিমারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এদিন সকালে দীর্ঘসময় সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় নাবালিকার জ্যেঠিমার। ঘরের দরজাও ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। তা ভাঙতেই দেখতে পান ঘড়ের চালের বাটামের সঙ্গে একই দড়ির একপ্রান্তে বাবা ও অন্যপ্রান্তে মেয়ে ঝুলছে। এরপর ধূপগুড়ি থানার পুলিসকে খবর দিলে তারা পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বাদলবাবু মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তবে মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়ে নিজে ফাঁস দিয়েছেন না কি দু’জনই একই সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলেছে তা নিয়ে পুলিস তদন্ত করছে।
আত্মীয়রা জানিয়েছেন, বাদলবাবু ১২ বছর আগে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু মেয়ের বয়স যখন তিন বছর তখন স্ত্রী সংসার ছেড়ে চলে যান। বাদলবাবু একাই শিশুকন্যাকে বড় করে তুলছিলেন। তিনি রাজমিস্ত্রী ও দিনমজুরি করতেন। নিজেই রান্না করে মেয়েকে খাওয়াতেন। কিন্তু বছরখানেক ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এমনকী পাশের দাদার বাড়িতেও ইদানীং যাতায়াত ছিল না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে নিজেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলেন।
মৃতের বউদি ভারতী রায় বলেন, বউ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর একাই কন্যাকে বড় করেছিলেন। কিন্তু বছর খানেক ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন না। ইদানীং আমাদের বাড়িতেও যাতায়াত ছিল না। এদিন সকাল থেকে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয়। দরজা ভিতর দিক থেকে বন্ধ ছিল। দরজা ভাঙতেই বাবা ও মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় লক্ষ্য করি। তারপরই সকলকে ডাকি। ধূপগুড়ি থানার পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা নীরেন রায় বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি বাদল কয়েক মাস থেকে উল্টোপাল্টা বকত। এমনকী বাজারে গেলেও অদ্ভুত আচরণ করত। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটবে তা ভাবতেই পারিনি।
আত্মীয়রা জানিয়েছেন, বাদলবাবু ১২ বছর আগে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু মেয়ের বয়স যখন তিন বছর তখন স্ত্রী সংসার ছেড়ে চলে যান। বাদলবাবু একাই শিশুকন্যাকে বড় করে তুলছিলেন। তিনি রাজমিস্ত্রী ও দিনমজুরি করতেন। নিজেই রান্না করে মেয়েকে খাওয়াতেন। কিন্তু বছরখানেক ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এমনকী পাশের দাদার বাড়িতেও ইদানীং যাতায়াত ছিল না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে নিজেকে একপ্রকার বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলেন।
মৃতের বউদি ভারতী রায় বলেন, বউ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর একাই কন্যাকে বড় করেছিলেন। কিন্তু বছর খানেক ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন না। ইদানীং আমাদের বাড়িতেও যাতায়াত ছিল না। এদিন সকাল থেকে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয়। দরজা ভিতর দিক থেকে বন্ধ ছিল। দরজা ভাঙতেই বাবা ও মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় লক্ষ্য করি। তারপরই সকলকে ডাকি। ধূপগুড়ি থানার পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা নীরেন রায় বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি বাদল কয়েক মাস থেকে উল্টোপাল্টা বকত। এমনকী বাজারে গেলেও অদ্ভুত আচরণ করত। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটবে তা ভাবতেই পারিনি।



