Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভূগর্ভের প্রায় ৭০ ফুট নীচে দেখা মিলল ব্যাসল্ট শিলার

প্রায় ৭০ ফুট খোঁড়ার পর অবশেষে দেখা গেল ব্যাসল্ট শিলার উপরিভাগ। দেউচা পাচামিতে উচ্ছ্বসিত জেলা প্রশাসনের কর্তারা

ভূগর্ভের প্রায় ৭০ ফুট নীচে দেখা মিলল ব্যাসল্ট শিলার
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: প্রায় ৭০ ফুট খোঁড়ার পর অবশেষে দেখা গেল ব্যাসল্ট শিলার উপরিভাগ। দেউচা পাচামিতে উচ্ছ্বসিত জেলা প্রশাসনের কর্তারা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের সোমবারই ব্যাসল্ট শিলার প্রথম স্তরের দেখা মিলেছে। তবে, আরও প্রায় ৪ মিটার গভীরে রয়েছে উন্নত মানের ব্যাসল্ট শিলা। জোরকদমে খনন চলছে। পিডিসিএলের সিএমডি পি বি সেলিম বলেন, টিম খুবই ভালো কাজ করছে। খুব তাড়াতাড়ি ব্যাসল্ট তোলার কাজ শুরু করার চেষ্টা রয়েছে। 

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি দেউচা পাচামির চাঁদা মৌজায় ১২ একর সরকারি জমিতে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন শুরু হয়। তারপর থেকেই টানা খনন হয়েছে। অন্যদিকে, ওই এলাকায় থাকা মহুয়া সহ অন্যান্য গাছের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও চলছে দ্রুতগতিতে। ইতিমধ্যে সেখানে প্রায় ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় গর্ত খোঁড়া হয়েছে। সেই গর্ত ক্রমশ বহরে বাড়ছে। গভীরতা প্রায় ৭০ ফুট অর্থাৎ ২৩ মিটারের কিছুটা বেশি। এই পর্যায়েই ব্যাসল্ট শিলার দেখা মিলেছে। জানা গিয়েছে, ব্যাসল্ট শিলার এই প্রথম স্তর কিছুটা নরম প্রকৃতির। আরও প্রায় ৪ মিটার গভীরে কঠিন অর্থাৎ উন্নতমানের ব্যাসল্ট শিলা পাওয়া যাবে। স্বাভাবিকভাবেই অতিদ্রুত দেউচা পাচামিতে ব্যাসল্ট শিলা তোলার কাজ শুরু হতে চলেছে বলে আশা করা যায়।
দেউচা পাচামিতে থেকে উত্তোলিত ব্যাসল্ট শিলা আগামীতে পাবলিক অকশনে বিক্রি করা হবে। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে পিডিসিএল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর যোগাযোগ শুরু করেছে। রাজ্যের পূর্তদপ্তর, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর, কেএমডিএ থেকে শুরু করে বিভিন্ন দপ্তর সেই তালিকায় রয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দেউচা পাচামির মাটির তলায় থাকা ব্যাসল্টের গুণগতমান ঝাড়খণ্ডের পাকুড়ের ব্যাসল্টের তুলনায় অনেক উন্নত। এছাড়াও, বীরভূমের দেউচা পাচামি থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রপ্তানির ক্ষেত্রেও খরচ খুব একটা বেশি হবে না। সেক্ষেত্রে ঝাড়খণ্ডের পাকুড়ের তুলনায় দেউচা পাচামির পাথরের মূল্য অনেকটাই কম হবে। ফলে এখানকার পাথরের চাহিদা ক্রমশ বাড়বে বলেই আশা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ