যান নিয়ন্ত্রণে কালীপুজোর আগেই বারাসতে ব্যারিকেড, যানজটে নাস্তানাবুদ শহরবাসী
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালীপুজোর ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই যান চলাচল কার্যত বন্ধ বারাসতে। কালীপুজোর ২৪ ঘণ্টা আগে শনিবার বিকাল থেকেই বারাসতের একাধিক রাস্তায় ব্যারিকেড বসিয়ে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু করে দেয় পুলিশ। বন্ধ করে দেয় ডাকবাংলো মোড় থেকে ময়না যাওয়ার ১১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। ছাড় দিয়েছিল শুধু বাইক ও অ্যাম্বুল্যান্সের ক্ষেত্রে। আগাম যান নিয়ন্ত্রণের জেরে একদিকে যশোর রোডে গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়, অন্যদিকে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে বাড়ি ফিরতে হয় বহু মানুষকে। পুজোর আনন্দ শুরুর আগেই পুলিশের এ হেন সিদ্ধান্তে ভোগান্তি বাড়ে শহরের বাসিন্দাদের।

Advertisement

বারাসতের বড়ো বাজেটের কালীপুজোর অধিকাংশই জাতীয় সড়ক লাগোয়া এলাকায় হয়। প্রতিবছর পুজোর দিন বিকাল থেকে যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু এবার পুজোর একদিন আগেই জাতীয় সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মানুষ পুলিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে। অফিসফেরতাদের দুর্ভোগ ছিল চোখে পড়ার মতো। ময়না ও কালীবাড়ি এলাকায় ব্যারিকেড করে কলকাতামুখী গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হয় কাজিপাড়া হয়ে যশোর রোডের দিকে। কলোনি মোড়ে ব্রিজে ওঠার রাস্তা বন্ধ থাকায় শহরের পশ্চিম থেকে পূর্ব প্রান্তে যাতায়াতে সমস্যা হয়। ডাকবাংলো মোড় থেকে গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরতে হয় অনেককে। ব্যারিকেডের জেরে যশোর রোডে যানজট বৃদ্ধি পায়। বারাসতের ময়নার বাসিন্দা সোমা দাস বলেন, ‘বারাসত হাসপাতাল থেকে ফিরে চাঁপাডালি নেমে প্রায় দু’কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি যেতে হয়েছে। গতবছর পুজোর একদিন আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না।’ বারাসত পুলিশ জেলার সুপার জে মার্সি বলেন, ‘১১ মে রাত ১২টা পর্যন্ত যান নিয়ন্ত্রণ চলবে। উত্তরবঙ্গগামী বাস ও ট্রাক বিমানবন্দরের আড়াই নম্বর গেট থেকে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের দিকে এবং টাকি রোডের পণ্যবাহী গাড়িকে মধ্যমগ্রাম চৌমাথা থেকে বাদু রোডের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’