নয়াদিল্লি: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের দুর্দশার আসল ছবিটা গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরলেন বারামুলার যুবতী তসলিমা আখতার। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৬৩তম অধিবেশনে, কাশ্মীরের সঙ্গে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উন্নয়নের তুলনা করেন তলসিমা। তিনি অভিযোগ করেন , পিওকের বাসিন্দারা পাকিস্তান সরকারের দয়ার উপর বেঁচে রয়েছেন। তাঁদের নূন্যতম মানবাধিকার নেই। পরিকাঠামো, বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও লাগাতার অবহেলার শিকার হয়েছে এই এলাকা। পরে একটি সংবাদমাধ্যমকে তসলিমা বলেন, গোটা বিশ্বের সামনে পাকিস্তানের মিথ্যাচারের পর্দাফাঁস করতে তিনি বিন্দুমাত্র শঙ্কিত নন।
অ্যাসোসিয়েশন অব টেরর ভিকটিমস ইন কাশ্মীর (এটিভিকে) নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক-সমাজকর্মী তসলিমা। গত জুন মাসে নাগরিক আন্দোলনের সময় পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সব হত্যার স্বাধীন বিচার করতে হবে। যাবতীয় তথ্য যেন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সকলের সামনে আসে।’ সংবাদমাধ্যমকে তসলিমা বলেন, ‘আজাদ কাশ্মীর নামই পাকিস্তানের সবচেয়ে বড়ো দ্বিচারিতা। কোনো স্বাধীন দেশের নাগরিকরা মৌলিক অধিকারের দাবিতে রাস্তায় নামলে তাঁদের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় না।’ তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে কবরস্থান বানানো হচ্ছে।’