সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এখনও চাপা উত্তেজনা মাথাভাঙার সাঙারবাড়ি ও মহিষমুড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার সাঙারবাড়ি এলাকায় আতঙ্ক নিয়েই কাঁটাতার পেরিয়ে জমিতে কাজে যান বেশকিছু চাষি। সকাল থেকে সীমান্তের কোথাও ওই বাংলাদেশিদের দেখা যায়নি। এনিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন বিএসএফের স্থানীয় আধিকারিকরা। পুলিস জানিয়েছে, সীমান্তের বিষয়টি বিএসএফ দেখছে। এদিন কোথাও কোনও ঝামেলা হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার মাথাভাঙার খলিসামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাঙারবাড়ি বিওপির ১৩ নম্বর গেটের কাছে ১৬ জন বাংলাদেশি ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। এনিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। দিনভর তারা নো ম্যানস ল্যান্ডেই বসেছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে বিএসএফের তরফে কাঁটাতার লাগোয়া উচ্চ বাতিস্তম্ভের লাইট বেশ কয়েকবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই বাংলাদেশিরা কোথায় গিয়েছে তা বলতে পারছে না কেউ।
সাঙারবাড়ির বাসিন্দা যুগল রায়, সঞ্জিত বর্মন বলেন, রাতে আমরা কয়েকবার লক্ষ্য করেছি সীমান্ত এলাকার আলো নিভিয়ে ফেলা হয়েছিল। এদিন সকালে দেখি কোথাও কেউ নেই। নিয়ম মতো সকাল ৮টায় কাঁটাতারের বেড়ার গেট খোলে বিএসএফ। এদিনও ওই নির্দিষ্ট সময়ে গেট খুললে আমরা বিএসএফকে পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভুট্টাখেতে গিয়ে ভুট্টা তুলেছি। বর্ষা চলে আসায় ভুট্টা নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আতঙ্ক নিয়েই এদিন কাঁটাতার পেরিয়ে জমিতে গিয়েছিলাম। মহিষমুড়ির শালবাড়ির সীমান্তেও এদিন কাউকে দেখা যায়নি।
যদিও এনিয়ে কোনও কিছু বলতে চাননি বিএসএফের স্থানীয় আউট পোস্টের আধিকারিকরা। মাথাভাঙার মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, এদিন সীমান্তের কোথাও কোনও গণ্ডগোল বা ঝামেলার খবর পাইনি আমরা। সীমান্তের বিষয়টি বিএসএফের আওতাধীন। তারাই সবকিছু দেখছে।