সংবাদদাতা, ইটাহার: অবৈধ উপায়ে বৃদ্ধের নাম ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে। এই অভিযোগে বিএলও’র দ্বারস্থ এক বৃদ্ধ। বৃদ্ধের দাবি, তাঁর ছেলের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। এমনকি, ভোটার তালিকায় ওই যুবকের বাবার নামের জায়গায় বৃদ্ধের নাম রয়েছে। ইটাহারের মির্জাদিঘির পাথরপুকুর গ্রামের এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এসআইআর আবহে বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির জামাইয়ের বিরুদ্ধে বিএলওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন হাপিজুদ্দিন সরকার। তাঁর দাবি, ওই যুবক বাংলাদেশি। হাপিজুদ্দিন জানান, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই তাঁর ছেলের। সেই জায়গায় নাম রয়েছে এক যুবকের। ওই যুবকের পাশে বাবা হিসেবে রয়েছে তাঁর নাম। কীভাবে এমনটা হল, অবাক হাপিজুদ্দিন। এবিষয়ে বিএলও মোজাফফর হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি বিডিও এবং সুপারভাইজারকে জানানো হয়েছে। মির্জাদিঘির পাথরপুকুরের বাসিন্দা হাপিজুদ্দিন। তাঁর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। বড়, মেজো ছেলে এবং স্ত্রী মৃত। বর্তমানে হাপিজুদ্দিনের ছোট ছেলে মহম্মদ বিশু স্ত্রী, সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূত্রে ভিনরাজ্যে থাকেন। হাপিজুদ্দিন দিনমজুরের কাজে কলকাতায় থাকতেন। ২০১৯ সালে পাথরপুকুরের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিছুদিন আগে বিএলও’র থেকে নিজের নামে ইনিউমারেশন ফর্ম পেলেও ছেলেরটা পাননি হাপিজুদ্দিন। এরই মাঝে এক প্রতিবেশীর জামাই আলমগীর হোসেন হাপিজুদ্দিনের কাছে ভোটার কার্ড, জমির দলিল নিতে এলে সন্দেহ হয়। পরে হাফিজুদ্দিন জানতে পারেন, ভোটার তালিকায় আলমগীরের বাবার নামের জায়গায় তাঁর নাম রয়েছে। এমনকী, ভোটার তালিকায় হাপিজুদ্দিনের ছেলে বিশুর নাম নেই। এই কথা শুনে দিল্লি থেকে বিশু বাড়ি ফিরেছেন। পুরো বিষয়টি লিখিত আকারে বিএলওকে জানানো হয়েছে। হাপিজুদ্দিনের কথা, আলমগীর আমার ছেলে নয়। আমার ছেলের নাম বিশু। আলমগীর বাংলাদেশি। সে কীভাবে আমার নাম ব্যবহার করে ভোটার কার্ড তৈরি করল?



