Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

বঙ্গনারীর ব্যবসা বৃদ্ধি

‘পেশাগতভাবে আমি চিরকালই ছিলাম শিক্ষিকা। হাইস্কুলের ছাত্রদের বিজ্ঞান পড়াতাম। আমার টিউটোরিয়াল বেশ নামও করেছিল। কিন্তু ভাগ্যের বদলে হয়ে গেলাম ফুড ডেলিভারি সংস্থার মালকিন,’ কথা হচ্ছিল সুস্মিতা চক্রবর্তীর সঙ্গে।

বঙ্গনারীর ব্যবসা বৃদ্ধি
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

 ‘পেশাগতভাবে আমি চিরকালই ছিলাম শিক্ষিকা। হাইস্কুলের ছাত্রদের বিজ্ঞান পড়াতাম। আমার টিউটোরিয়াল বেশ নামও করেছিল। কিন্তু ভাগ্যের বদলে হয়ে গেলাম ফুড ডেলিভারি সংস্থার মালকিন,’ কথা হচ্ছিল সুস্মিতা চক্রবর্তীর সঙ্গে। মাত্র পাঁচ বছরে গ্রাহকভিত্তিক ব্যবসা থেকে সংস্থাভিত্তিক ব্যবসা তৈরি করেছেন তিনি। এই মুহূর্তে কর্পোরেট ক্যান্টিন চালিয়ে রোজগার করেন। 

Advertisement

রান্নায় খুবই আগ্রহী সুস্মিতা। যাকে বলে ‘প্যাশনেট’। কিন্তু এটা যে রোজগারের উপায় হতে পারে ভাবেননি। লকডাউনের সময় ছাত্রদের পরিবারে কেউ অসুস্থ হলে খাবার বিতরণ করতেন। ক্রমশ সেটাই পেশা হয়ে গেল। নিজেই একদিন একটা মেনু ঠিক করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন। সামান্য অর্ডারও এল। ভাবলেন এই কাজে টিকে গেলেই বা মন্দ কি? রন্ধনপটিয়সী এই মহিলা বি টু সি ব্যবসায়ী থেকে পাঁচ বছরেই হয়ে ওঠেন বি টু বি ব্যবসায়ী। অর্থাৎ প্রথমে ব্যবসা করতেন গ্রাহকদের সঙ্গে। ব্যবসা বাড়িয়ে কর্পোরেট গ্রাহক নির্ভর হয়ে উঠলেন। এখন তিনি সংস্থার সঙ্গে ব্যবসায়িক আদানপ্রদান করেন। মেনুতে সারাক্ষণই নতুনত্ব আনার চেষ্টা করেন সুস্মিতা। বাটা, মাখা, ডালনা সহ নানা রান্না হয় তাঁর হেঁশেলে। অফিস ক্যান্টিনেও বাঙালিয়ানায় ভরপুর মেনু সুস্মিতার। বললেন, ‘বাঙালি বরাবরের খাদ্যরসিক। একটা অর্ডার দিয়ে নিছক শখে যে ব্যবসা শুরু করেছিলাম তা-ই এখন ন’শো অর্ডারে পৌঁছেছে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ