Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

মিছিল ও সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা, এবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুঘলকি সিদ্ধান্তে সোচ্চার ছাত্র-শিক্ষক সংগঠনগুলি

কোনো মিটিং, মিছিল বা সমাবেশ নয়। দেওয়া যাবে না স্লোগান, ভাষণও। এমনকি পাঁচজন একসঙ্গে জমায়েতও করা যাবে না।

মিছিল ও সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা, এবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুঘলকি সিদ্ধান্তে সোচ্চার ছাত্র-শিক্ষক সংগঠনগুলি
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কোনো মিটিং, মিছিল বা সমাবেশ নয়। দেওয়া যাবে না স্লোগান, ভাষণও। এমনকি পাঁচজন একসঙ্গে জমায়েতও করা যাবে না। এই নিয়মের লঙ্ঘন হলেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মঙ্গলবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এহেন বিজ্ঞপ্তি ঘিরে তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে আপাতত এক মাসের জন্য ক্যাম্পাসের মধ্যে যাবতীয় বিক্ষোভ সমাবেশ, অবস্থান, মিছিল কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এহেন বিজ্ঞপ্তি জারির পরেই কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে ছাত্র এবং শিক্ষক সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করতে হবে। ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ বিক্ষোভের অধিকার কেড়ে নিয়ে আদতে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

সম্প্রতি এক সেমিনারে অংশ নিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইরফান হাবিব। সেখানে বর্ষীয়ান ওই শিক্ষাবিদকে লক্ষ্য করে জলের বালতি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। প্রবীণ শিক্ষাবিদের আঘাত না লাগলেও তাঁর পোশাক সম্পূর্ণ ভিজে যায়। বাম ছাত্র সংগঠনগুলি সংঘের বিদ্যার্থী পরিষদের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে। দিনকয়েক আগে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ইউজিসি-বিরোধী একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমকেও। 
এদিন বিজ্ঞপ্তি জারির পর বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুস্থ পড়াশোনার পরিবেশ ফেরানোই সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকার একমাত্র লক্ষ্য। এর মধ্যে অন্য কোনো বিষয় নেই। মঙ্গলবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব দ্য প্রোক্টোরের পক্ষ থেকে জারি নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে যে, মশাল, টর্চের মতো জিনিস নিয়েও ঢোকা যাবে না। এগুলিকে ‘বিপদজনক’ বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ