Bartaman Logo
৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দ্বিগুণ আয়ের টানেই ভিনরাজ্যে পাড়ি বালুরঘাট শহরের ঢাকিদের

ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ঢাক ছাড়া পুজো কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু নিজেদের এলাকায় ঢাক বাজিয়ে চাহিদা অনুযায়ী পারিশ্রামিক পান না ঢাকিরা। তাই ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন বালুরঘাট শহরের একঝাঁক ঢাকি।

দ্বিগুণ আয়ের টানেই ভিনরাজ্যে পাড়ি বালুরঘাট শহরের ঢাকিদের
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত ঢাক ছাড়া পুজো কল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু নিজেদের এলাকায় ঢাক বাজিয়ে চাহিদা অনুযায়ী পারিশ্রামিক পান না ঢাকিরা। তাই ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন বালুরঘাট শহরের একঝাঁক ঢাকি। বেশি রোজগারের আশায় লখনউ,অন্ধ্রপ্রদেশে যাচ্ছেন অনেকে। ইতিমধ্যে বালুরঘাট শহরের খিদিরপুরের ওই ঢাকিরা মহালয়ার পর ভিনরাজ্যে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।

Advertisement

খিদিরপুরের সুরজিৎ নট্ট বলেন, শহরে পুজোর সময় যতই ঢাক বাজাই না কেন, পাঁচ হাজার টাকার বেশি পাই না। তাই ভিনরাজ্যে যাচ্ছি কয়েকজন মিলে। সেখানে গড়ে একজন প্রায় ১২ হাজার টাকা পাচ্ছি। 
আরেক ঢাকি বিশ্বজিৎ নট্টর কথায়,আমাদের দু’টি দল লখনউ এবং  অন্ধ্রপ্রদেশে যাচ্ছে। এবার প্রায় ৩০ জন ভিনরাজ্যে দুর্গাপুজোয় ঢাক বাজাতে যাব। 
বালুরঘাট শহরে খিদিরপুর, লালমাটি, সুকান্ত কলোনি, সৃজনী, চকভৃগু এবং শহর লাগোয়া গ্রামগুলিতে বহু ঢাকি রয়েছেন। তাঁরা মূলত পূর্বপুরুষদের পেশা ধরে রেখেছেন। কিন্তু সারাবছর ঢাক বাজিয়ে আর সংসার চলে না। বাধ্য হয়ে অনেকে পেশা বদলাতে বাধ্য হয়েছেন। তবে, পুজো এলে বাড়তি রোজগারের জন্য তাঁরা সবাই ঢাক বাজান। বলছেন, পুজোর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই শারদোত্সবের সময় ঢাকিদের চাহিদা অনেকটা বেড়ে যায়।
অন্যদিকে, শহর এবং গ্রামাঞ্চলের ঢাকিদের হাতে আর সময় নেই। তাঁরা ঢাক ঠিক করার কাজে লেগে পড়েছেন। রোদে শুকিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি কাঠি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ঠিকঠাক করার ব্যবস্থা করছেন।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ