Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাস: কাটা হচ্ছে তৃণমূল সমর্থকদের নাম, প্রধানের বিরুদ্ধে সরব শাসকদল

মাথাভাঙা-২ ব্লকের বিজেপি শাসিত বড় শৌলমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে বাংলা আবাস যোজনার নতুন তালিকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

আবাস: কাটা হচ্ছে তৃণমূল সমর্থকদের নাম, প্রধানের বিরুদ্ধে সরব শাসকদল
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-২ ব্লকের বিজেপি শাসিত বড় শৌলমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে বাংলা আবাস যোজনার নতুন তালিকা নিয়ে কারচুপির অভিযোগ এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর প্রতিবাদ জানিয়ে জামতলা মোড়ে মঙ্গলবার অবস্থান বিক্ষোভ ও পথ অবরোধ করে রাজ্যের শাসকদল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, প্রধান বেছে বেছে তৃণমূল নেতা-কর্মী, সমর্থকদের নাম কেটে দিচ্ছেন। একইসঙ্গে কোচবিহারে তৃণমূল নেতাকে গুলি চালানোর ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে উত্তরের বিধায়ক সুকুমার রায়কে গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হয়। প্রায় ৩০ মিনিট ফুলবাড়ি-ফালাকাটা সড়কে চলে অবরোধ। পরে ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে। পরবর্তীতে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। 

Advertisement

এ ব্যাপারে বড় শৌলমারি অঞ্চল তৃণমূল নেতা গোপাল রায় বলেন, বিজেপি প্রধান বাংলা আবাস যোজনার তালিকায় দেখে দেখে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নাম কেটে বাদ দিয়ে দিচ্ছেন। আগের তালিকার ক্ষেত্রেও একই কাজ করেছিলেন। আমরা তারই প্রতিবাদে এদিন অবস্থান বিক্ষোভ ও পথ অবরোধে শামিল হই। অবিলম্বে প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছি। একইসঙ্গে আমাদের কোচবিহার-২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষকে গুলি চালিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগে যুক্ত বিজেপি বিধায়ককেও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছি। পুলিস প্রশাসন আমাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করেছে। তারপরই আমরা অবস্থান বিক্ষোভ ও অবরোধ তুলে নিয়েছি। 
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে বড় শৌলমারি অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। ভেঙে দেওয়া হয় অঞ্চল কমিটিও। মূলত অভিযোগ ছিল গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে থাকলেও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সেভাবে কোনও আন্দোলন করছে না। ভিতরে ভিতরে বোঝাপোড়ার অভিযোগও উঠেছে। অঞ্চল কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর এদিন তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্বের মাঠে নেমে আন্দোলন তাই অনেকটাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। 
যদিও তৃণমূলের আন্দোলনের বিষয়ে বড় শৌলমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জয়ন্ত দে’কে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মেসেজেরও উত্তর দেননি। মাথাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, তৃণমূল নীতিহীন দল। আন্দোলনের ইস্যু না পেয়ে এসব করছে। বিধায়কের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। নিজেরাই আকচাআকচিতে জড়িত ওরা। স্বচ্ছতার সঙ্গেই বাংলা আবাস যোজনায় তালিকায় গ্রামবাসীদের নাম রাখা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ