Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাটের রাস্তায় অটো ও টোটোর দাপট, যানজটে নাজেহাল বাসিন্দারা, নবদ্বীপে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি

অটো ও টোটোর ভিড়ে সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে রাস্তা। পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা সহজে মায়াপুর ইসকনে পৌঁছতে পারছেন না।

স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাটের রাস্তায় অটো ও টোটোর দাপট, যানজটে নাজেহাল বাসিন্দারা, নবদ্বীপে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দাবি
  • ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: অটো ও টোটোর ভিড়ে সংকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে রাস্তা। পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা সহজে মায়াপুর ইসকনে পৌঁছতে পারছেন না। মায়াপুর যাওয়ার পথে নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাটের রাস্তার পাশে যত্রতত্র অটো ও টোটো দাঁড়িয়ে থাকছে। এর ফলে নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ফেরিঘাটের রাস্তায় তীব্র যানজট লেগেই থাকছে। তার জেরে প্রতিদিন নাকাল হচ্ছেন আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র মায়াপুরে ঘুরতে আসা পুণ্যার্থী, পর্যটক ও নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, যানজট নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা করা হোক।

Advertisement

শীত পড়তেই মায়াপুরের মঠ-মন্দিরে পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে। ট্রেনে কৃষ্ণনগর স্টেশন হয়ে কিংবা বাসে দলে দলে পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা মায়াপুরে ভিড় করছেন। তাঁরা স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ফেরিঘাট থেকে নৌকায় জলঙ্গি নদী পার হয়ে মায়াপুরে যান। কিন্তু, মায়াপুরে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাটের রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে থাকে অটো ও টোটো। এর ফলে দিনের পর দিন রাস্তাটি সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। এমনকি, ফেরিঘাট ঢোকার রাস্তার উপরেও অটো ও টোটো চালকরা গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করাচ্ছেন। এছাড়া, এই রাস্তার পাশে একশ্রেণির ব্যবসায়ী তাঁদের দোকানের কিছুটা অংশ রাস্তায় এগিয়ে নিয়ে এসেছেন। ফলে ফেরিঘাট যাওয়ার রাস্তায় প্রতিনিয়ত যানজট হচ্ছে। উল্লেখ্য, নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ফেরিঘাট থেকে জলঙ্গি নদী পার হলেই মায়াপুরের হুলোরঘাট। এই পথ দিয়েই প্রতিদিন ভোর থেকেই কয়েক হাজার মানুষ মায়াপুরের বিভিন্ন মঠ-মন্দির দর্শনে যায়। অনেকেই মায়াপুর ইসকন মন্দির সহ বিভিন্ন মঠ-মন্দির, হোটেলে তাঁদের কর্মস্থানে যান।
নবদ্বীপ স্বরূপগঞ্জ রেলবাজারের বাসিন্দা কল্লোল রায় বলেন, শীতের এই সময়ে মায়াপুরে পর্যটকদের ঢল নামে। তাঁরা স্বরূপগঞ্জ রেলবাজার ঘাটে আসেন। এখান থেকে জলঙ্গি নদী পার হয়ে মায়াপুরে যান। কিন্তু, যত্রতত্র অটো-টোটো দাঁড়িয়ে থাকায় অধিকাংশ সময়ে যানজট লেগেই থাকছে। এখানে সকাল-সন্ধ্যায় পুলিশ-প্রশাসনের তরফে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হলে ভালো হয়। মাজদিয়া উত্তরপাড়ার বাসিন্দা চিরঞ্জিৎ ঘোষ বলেন, ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোনও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। যানবাহন চালকরা ইচ্ছেমতো অটো ও টোটো রাস্তার মাঝে দাঁড় করিয়ে যাত্রী তোলা নামানো করছেন।
নবদ্বীপের স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কানাই দাস বলেন, এখানে অবশ্যই যান নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। স্থানীয় প্রশাসন সবই জানে। এবিষয়ে আমরা বিডিও ও পুলিশ-প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পঞ্চায়েতের তরফে প্রশাসনের কাছে দ্রুত ট্রাফিক পুলিশের জন্য আবেদন জানাব। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ