সংবাদদাতা, কাটোয়া: ছেলের বাইকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন মহিলা। সেই সময় বাইক থামিয়ে মহিলাকে নামিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল গ্রামেরই কয়েকজনের বিরুদ্ধে। তাঁকে টেনে মাঠে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়। এমনকী, ধর্ষণেরও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। বধূর ছেলেকে আটকে রেখেই এমনটা চলে। ওই মহিলা চিৎকার করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। শুক্রবার রাতে কেতুগ্রাম থানা এলাকার ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মহিলাকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কাটোয়ার এসডিপিও কাশীনাথ মিস্ত্রি বলেন, এমন কোনও লিখিত অভিযোগ এখনও পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেতুগ্রাম থানার প্রত্যন্ত ওই গ্রামের মানুষ বাজার থেকে চিকিৎসা সবই নদীয়া জেলার কালীগঞ্জ থানা এলাকায় করেন। শুধু প্রশাসনিক কাজকর্ম সারতে ভাগীরথী পেরিয়ে কাটোয়া শহরে আসতে হয়। ওই মহিলা অসুস্থ ছিলেন। ছেলের বাইকে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন চিকিৎসা করাতে। মহিলার দাবি, যাওয়ার সময় একটি মাঠের কাছে দু’টি বাইকে ছ’জন তাঁদের রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। তিনজন তাঁর ছেলেকে আটকে রাখে। বাকি তিনজন তাঁকে টেনে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয়। তিনি চিৎকার করলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। শনিবার সকালে বধূকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিন হাসপাতালের বেডে শুয়ে ওই মহিলা বলেন, আমার ছেলে ফোন করে স্বামীকে ডাকে। স্বামী এলেও অভিযুক্তরা তাকে হাঁসুয়া নিয়ে তাড়া করে। ওরা আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিল। বাধা দেওয়ায় মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল। চিৎকার করায় পালিয়ে যায়।