সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: তৃণমূল পরিচালিত ঝাড়গ্রামের পাটাশিমূল গ্রাম পঞ্চায়েতে দেড় বছরে ৮টি গ্রামে ১০টি সৌরশক্তি চালিত পানীয় জলের পাম্প বসেছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, এর আগেও এই গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের পাম্প বসেছিল। তবে সেগুলি চিরাচরিত বিদ্যুতে চলত। কিন্তু মাসের পর মাস বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। গত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের দখলে আসে। বোর্ড গঠনের এক বছরের মধ্যে এলাকায় রাস্তা ও পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে তৎপরতা শুরু হয়। শুরু হয় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ। জানা গিয়েছে, এই পঞ্চায়েতের ধাংড়ি, পাথরা, ভেলাজুড়ি, নারদা, খেজুরগেড়িয়া, দেবীচক, বৈদ্যনাথডিহি ও মোহনপুর গ্রামে ১০টি সৌরশক্তি চালিত পানীয় জলের পাম্প বসানো হয়েছে। ২০২৩ -’২৪ অর্থবর্ষের পঞ্চম অর্থ কমিশনের টাকায় এই পাম্পগুলি বসেছে। এক একটি পাম্পের জন্য ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আগে আমাদের এই পঞ্চায়েতের গ্রামগুলিতে পানীয় জলের পাম্প ছিল না তা নয়, প্রথম তিন মাস বিদ্যুৎ বিল দিতে হতো না। এরপরে বিদ্যুৎ বিল যখন এল অনেকেই তা দেয়নি। বিদ্যুৎ দপ্তর পাম্পগুলির বিদ্যুৎ কানেকশন ছিন্ন করে দেয়। আগে যেখানে কলগুলি ছিল তার মধ্যে যেসব পুরনো বোরিংগুলি ভালো ছিল সেখানেই এই সোলার পাম্পগুলি বসেছে। যেসব গ্রামে জনসংখ্যা বেশি, সেখানে দু’টি করে পাম্প বসেছে। এতে মানুষ ভীষণ উপকৃত।
জামবেদিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের জামবেদিয়া ও লেকড়াবিঁধা এই দু’টি গ্রামের জলের কল বন্ধ রয়েছে। পাটাশিমূল পঞ্চায়েতের প্রধান কল্যাণী রায় বলেন, সৌরশক্তি চালিত পাম্পগুলি মানুষ ব্যবহার করছে। তবে তিন চারটি পাম্প খারাপ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেগুলি খুব তাড়াতাড়ি সারাই করার ব্যবস্থা করা হবে।
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আগে আমাদের এই পঞ্চায়েতের গ্রামগুলিতে পানীয় জলের পাম্প ছিল না তা নয়, প্রথম তিন মাস বিদ্যুৎ বিল দিতে হতো না। এরপরে বিদ্যুৎ বিল যখন এল অনেকেই তা দেয়নি। বিদ্যুৎ দপ্তর পাম্পগুলির বিদ্যুৎ কানেকশন ছিন্ন করে দেয়। আগে যেখানে কলগুলি ছিল তার মধ্যে যেসব পুরনো বোরিংগুলি ভালো ছিল সেখানেই এই সোলার পাম্পগুলি বসেছে। যেসব গ্রামে জনসংখ্যা বেশি, সেখানে দু’টি করে পাম্প বসেছে। এতে মানুষ ভীষণ উপকৃত।
জামবেদিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, আমাদের জামবেদিয়া ও লেকড়াবিঁধা এই দু’টি গ্রামের জলের কল বন্ধ রয়েছে। পাটাশিমূল পঞ্চায়েতের প্রধান কল্যাণী রায় বলেন, সৌরশক্তি চালিত পাম্পগুলি মানুষ ব্যবহার করছে। তবে তিন চারটি পাম্প খারাপ হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেগুলি খুব তাড়াতাড়ি সারাই করার ব্যবস্থা করা হবে।



