মুম্বই ও নয়াদিল্লি: ২০০৮ সালের মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করেছে বিশেষ আদালত। বেকসুর খালাস হওয়ার দু’দিনের মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শনিবার দাবি করেন, বিস্ফোরণের এই মামলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তাঁদের নাম নেওয়ার জন্য আমার উপর চাপ তৈরি করেছিলেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য, কংগ্রেস আমলে হওয়া মালেগাঁও বিস্ফোরণে ছ’জনের মৃত্যু হয়েছিল। মসজিদের বাইরে বোমা ফেটে জখম হয়েছিলেন আরও শতাধিক। প্রাথমিকভাবে তদন্ত শুরু করেছিল মহারাষ্ট্র এটিএস। পরে এনডিএ আমলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংগঠন এনআইএ তদন্তভার হাতে নেয়। সাধ্বী প্রজ্ঞা এদিন মূলত নিশানা বানিয়েছেন কংগ্রেস আমলে তদন্তের প্রক্রিয়াকে। শনিবার সাধ্বী প্রজ্ঞা বলেন, ‘ওরা (এটিএস) আমার মুখ দিয়ে বহু লোকেরই নাম বলানোর চেষ্টা করেছিল। সেই তালিকায় ছিলেন (প্রবীণ বিজেপি নেতা) রাম মাধবও। এজন্য আমার উপর প্রচণ্ড অত্যাচার করেছিল। আমার ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। আমাকে হাসপাতালে বেআইনিভাবে আটক করে। সত্য কখনও গোপন থাকে না। আমি যে বই লিখছি, সেখানে এই সবকিছুই থাকবে। আমি গুজরাতে থাকতাম বলে ওরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও নাম নিতে বলেছিল। যোগী আদিত্যনাথ, মোহন ভাগবত ও ইন্দ্রেশ কুমারের নাম নেওয়ার জন্যও চাপ তৈরি করা হয়েছিল। ওরা বলত, এই নামগুলি নিলে আমরা আর মারধর করব না। ওরা আমাকে দিয়ে মিথ্যা বলাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি কারও নাম করিনি।’



